রাজবীরের কান্না ও সন্দীপ দত্তের প্রতিক্রিয়া

রাজবীর কাঁদছিল, আর সেটা দেখে আমিও চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি—বললেন নন্দিনীর বাবা সন্দীপ দত্ত। ‘বিগ বস’-এ এই নতুন টুইস্টের পর পরিস্থিতিটা একেবারে বদলে গেল। নন্দিনী একবার শো থেকে বেরিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত তিনি আসলে রয়ে গেলেন ‘সিক্রেট রুম’-এ। রবিবার ‘দাদার দরবার’ শেষে নন্দিনী বাড়ির মূল দরজা দিয়ে বেরোনোর মুহূর্তে রাজবীরের কান্না শুরু হয়। একটা গল্পের মতো মুহূর্ত—রাজবীর কাঁদছে আর বাকিরাও আবেগ সামলাতে পারছে না।

এ নিয়ে সন্দীপ দত্ত বলেন, নন্দিনী খুবই স্ট্রং। ‘বিগ বস’-এর ইতিহাসে এটা দারুণ চমক। যাদের সিক্রেট রুমে রাখা হয়, তাদের পাওয়ার কিছু থাকে—এ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এইটা বলতে পারব না। তবে সৃজলার ঘটনার পর যেভাবে নন্দিনী আর আমাদের পরিবারকে বারবার অ্যাটাক হয়েছে, নন্দিনী যদি একেবারে বেরিয়ে যেত, ওর কেরিয়ারে সেটার প্রভাব পড়ত। বরং সিক্রেট রুমে থেকে ফের খেলার সুযোগ পেয়ে ও যেন একটা আশীর্বাদ পেল, আমরাও স্বস্তি পেয়েছি।

মূল চরিত্র
সন্দীপ দত্ত
প্রসঙ্গ
নন্দিনীর সিক্রেট রুম
আবেগ
রাজবীরের কান্না
মন্তব্য
‘অপরের পরিপূরক’

‘নন্দিনী খুবই স্ট্রং’: সিক্রেট রুমের পাওয়ার

সন্দীপ দত্ত আরও জানান, নন্দিনী খুবই স্ট্রং। ‘বিগ বস’-এর ইতিহাসে এই টুইস্টকে তিনি ‘দারুণ চমক’ বলেছেন। যাদের সিক্রেট রুমে রাখা হয়, তাদের কিছু পাওয়ার থাকে—এই বিষয়ে সরাসরি কিছু বলতে না চাইলেও তিনি স্বীকার করেন, সিক্রেট রুমে থেকে খেলায় ফেরার সুযোগ নন্দিনীর জন্য আশীর্বাদস্বরূপ।

তিনি আরও বলেন, সৃজলার ঘটনার পর নন্দিনী ও তাদের পরিবারকে বারবার অ্যাটাক করা হয়েছে। নন্দিনী যদি সম্পূর্ণভাবে বেরিয়ে যেতেন, তাহলে তাঁর কেরিয়ারেও এর প্রভাব পড়ত। তাই সিক্রেট রুমে থেকে খেলায় থাকাটা তাঁদের জন্য স্বস্তির বিষয়।

রাজবীরের অনুভূতি ও ‘পরিপূরক’ মন্তব্য

সন্দীপ দত্ত আরও বলছিলেন, নন্দিনী বেরিয়ে যাওয়ার পর রাজবীর যেভাবে কাঁদছিল, আমি নিজেও আর নিজেকে সামলাতে পারিনি। যতবার ভিডিওটা সামনে আসে, ভিতরে একটা খারাপ লাগা কাজ করে। যারা রাজবীরের অনুভূতি নিয়ে সন্দেহ করেছিল, তারা এবার নিশ্চয় থামবে। আমার তো মনে হয়, ওরা একে অপরের পরিপূরক।

এই মন্তব্য কার্যত রাজবীর-নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে দর্শকদের একাংশের সন্দেহের জবাব। সন্দীপ দত্তের ভাষায়, রাজবীরের চোখের জলই প্রমাণ করে তাঁর অনুভূতি সত্যি।

সুপার পাওয়ার থাকলে কী করতেন?

ধরা যাক, যদি আমার হাতে সুপার পাওয়ার থাকত—তাতে কি আমি রাজবীরকে বলে দিতাম, নন্দিনী আসলে ঘরে ঠিক আছে? না, সেটা করতাম না। কারণ আমার মনে হয়, এবার দর্শকদের দেখা উচিত, রাজবীর কীভাবে নিজের খেলাটা খেলছে। ওর সময় লাগবে স্বাভাবিক হতে, কিন্তু আমি জানি, ও ঠিক ম্যাচিউরড হবে আর নিজের খেলা চালিয়ে যাবে। একইসঙ্গে, নন্দিনীরও যদি রাজবীরের প্রতি কোনও সংশয় থাকত, এটা ক’দিনে তা কাটিয়ে উঠবে।

‘রাজবীর ছাড়া কেউ জিততে পারবে না’

সবশেষে সন্দীপ দত্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, নন্দিনী ছাড়া যদি ‘বিগ বস’-এ কেউ জিততে পারে, তাইলে সেটা রাজবীর ছাড়া আর কেউ নয়। এই মন্তব্য কার্যত রাজবীরের প্রতি তাঁর সমর্থন ও আস্থার প্রকাশ।

সব মিলিয়ে বিগ বস বাংলার ঘরে এখন প্রতিটি মুহূর্তই গুরুত্বপূর্ণ। সিক্রেট রুমের টুইস্ট, রাজবীরের কান্না আর সন্দীপ দত্তের আবেগঘন প্রতিক্রিয়া—সব মিলিয়ে শোয়ের গল্প নতুন মোড় নিয়েছে। আগামী দিনে নন্দিনী কবে মূল ঘরে ফিরবেন, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

সূত্র ও রেফারেন্স