প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (PMAY) ২০২৬ – ‘সবার জন্য ঘর’

কেন্দ্রীয় সরকারের পতাকাবাহী আবাসন প্রকল্প। আর্থিকভাবে দুর্বল ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলিকে পাকা ঘর নির্মাণ বা কেনার জন্য আর্থিক সহায়তা ও ৬.৫% পর্যন্ত সুদ ছাড় প্রদান করে থাকে। নিচে আবেদনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া, যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় নথি বিস্তারিত দেওয়া হলো।

আবেদন করুন হেল্পলাইন
pradhan mantri awas yojana
0

কোটি লক্ষ্য (গ্রামীণ)

0

% পর্যন্ত সুদ ছাড়

0

লক্ষ টাকা (শহুরে)

0

লক্ষ টাকা (গ্রামীণ)

বিশেষ ঘোষণা: ২০২৬ সালের ৯ জুন কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গের জন্য ১০ লক্ষ PMAY গৃহ নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে এবং রাজ্যের জন্য ১,৭০০ কোটি টাকার গ্রামীণ কল্যাণ প্যাকেজ বরাদ্দ করেছে। গ্রামীণ অঞ্চলে সমভূমির জন্য ₹১,২০,০০০ টাকা এবং পার্বত্য/দুর্গম এলাকার জন্য ₹১,৩০,০০০ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হচ্ছে।

📌 প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা কী?

প্রকল্পের বিবরণ

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (PMAY) ২০১৫ সালে চালু হয়। উদ্দেশ্য ২০২২ সালের মধ্যে ‘সকলের জন্য গৃহ’ – যদিও প্রকল্পটি এখনও চলমান রয়েছে। এটি দুই ভাগে বিভক্ত: PMAY-Urban (শহুরে) এবং PMAY-Gramin (গ্রামীণ)। গ্রামীণ অংশের জন্য ২০২৯ সালের মধ্যে ২ কোটি পাকা ঘর নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।

সুবিধার পরিমাণ

শহুরে: EWS/LIG পরিবারের জন্য প্রত্যক্ষ আর্থিক সাহায্য সর্বোচ্চ ₹১.৫ লক্ষ টাকা, সুদ ছাড় ৩% থেকে ৬.৫%। গ্রামীণ: সমভূমি এলাকায় ₹১.২ লক্ষ টাকা, দুর্গম এলাকায় ₹১.৩ লক্ষ টাকা।

সরকারি পোর্টাল

গ্রামীণ: pmayg.nic.in / awaassoft.gov.in
শহুরে: pmaymis.gov.in / mohua.gov.in

✅ কারা এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য?

যোগ্যতা যাচাই করুন
সরকারি পোর্টালে গিয়ে আধার বা মোবাইল নম্বর দিয়ে যোগ্যতা যাচাই করতে পারেন:

pmaymis.gov.in / pmayg.nic.in

PMAY-শহুরে (Urban)-এর জন্য যোগ্যতা

  • ইডব্লিউএস (EWS): বার্ষিক পরিবারিক আয় ₹৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত।
  • এলআইজি (LIG): ₹৩,০০,০০১ থেকে ₹৬,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত।
  • এমআইজি-I (MIG-I): ₹৬,০০,০০১ থেকে ₹১২,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত – ৪% সুদ ছাড়।
  • এমআইজি-II (MIG-II): ₹১২,০০,০০১ থেকে ₹১৮,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত – ৩% সুদ ছাড়।
  • আবেদনকারী বা তার পরিবারের কোনো সদস্যের দেশের যেকোনো স্থানে পাকা বাড়ি থাকা চলবে না।

PMAY-গ্রামীণ (Gramin)-এর জন্য যোগ্যতা

  • গ্রামাঞ্চলের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
  • SECC ২০১১ ডাটাবেসের ভিত্তিতে চিহ্নিত দরিদ্র পরিবার।
  • যেসব পরিবারের নিজস্ব কোনো পাকা বাড়ি নেই অথবা যারা কাঁচা বাড়িতে বাস করে।
  • মহিলা বা যৌথ মালিকানায় বাড়ি নির্মাণ করতে হবে।
  • পরিবারের বিবরণে (পতি, পত্নী ও অবিবাহিত সন্তান) অন্তর্ভুক্ত সকলের তথ্য প্রয়োজন।

💰 CLSS সুদ ছাড়ের বিবরণ

EWS / LIG (আয় ₹৩-৬ লক্ষ পর্যন্ত)

লোন পরিমাণ ₹৬ লক্ষ পর্যন্ত – সুদ ছাড় ৬.৫%

সর্বোচ্চ লোন মেয়াদ ২০ বছর

MIG-I (আয় ₹৬-১২ লক্ষ পর্যন্ত)

সুদ ছাড় ৪%, লোন পরিমাণ ₹৯ লক্ষ পর্যন্ত, ২০ বছর মেয়াদ, ১৬০ বর্গমিটার কার্পেট এলাকা

MIG-II (আয় ₹১২-১৮ লক্ষ পর্যন্ত)

সুদ ছাড় ৩%, লোন পরিমাণ ₹১২ লক্ষ পর্যন্ত, ২০ বছর মেয়াদ, ২০০ বর্গমিটার কার্পেট এলাকা

📱 কীভাবে আবেদন করবেন? (ধাপে ধাপে)

অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি (PMAY-U)

  1. অফিসিয়াল পোর্টালে যান: pmaymis.gov.in ভিজিট করুন।
  2. ‘সিটিজেন অ্যাসেসমেন্ট’-এ ক্লিক করুন: ‘For Slum Dwellers’ বা ‘Benefits under other three components’ নির্বাচন করুন।
  3. আধার নম্বর ও মোবাইল নম্বর দিন: ওটিপি ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ করুন।
  4. আয় ও ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন: EWS, LIG, MIG-I, MIG-II-এর মধ্যে আপনার আয়ের ভিত্তিতে নির্বাচন করুন।
  5. ব্যক্তিগত ও ব্যাঙ্কের তথ্য পূরণ করুন: ফর্মে প্রয়োজনীয় বিবরণ পূরণ করে নথি আপলোড করুন।
  6. আবেদন জমা দিন: রেফারেন্স নম্বর সংরক্ষণ করুন।

অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি (PMAY-G)

  1. পোর্টালে যান: pmayg.nic.in ভিজিট করুন।
  2. ‘স্টেকহোল্ডারস’ ট্যাবে ক্লিক করুন: ‘IAY/PMAYG Beneficiary’ নির্বাচন করুন।
  3. রেজিস্ট্রেশন নম্বর বা উন্নত অনুসন্ধানের মাধ্যমে নাম খুঁজুন: রাজ্য, জেলা, ব্লক ও গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচন করুন।
  4. ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যাচাই ও নথি জমা দিন: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট আধার-সিডেড কিনা নিশ্চিত করুন।
  5. গ্রাম সভার যাচাই ও জিওট্যাগিং সম্পন্ন করুন: গ্রাম সভায় নথি যাচাই করা হয় এবং জিওট্যাগিং করা হয়।
অফলাইন আবেদন: আপনার নিকটস্থ BDO অফিস, পঞ্চায়েত অফিস, পৌরসভা বা কমন সার্ভিস সেন্টার (CSC) থেকে ফর্ম সংগ্রহ করে জমা দিন।

📋 প্রয়োজনীয় নথি

বাধ্যতামূলক নথি (সকলের জন্য)

  • আধার কার্ড (বা আধার এনরোলমেন্ট ID)
  • আয়ের প্রমাণপত্র (বেতন স্লিপ, আইটিআর, স্ব-স্বাক্ষরিত হলফনামা)
  • পরিচয় ও ঠিকানার প্রমাণ (ভোটার আইডি, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স)
  • ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ (পাসবুকের প্রথম পাতা)
  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি
  • নিজের পাকা বাড়ি না থাকার হলফনামা

PMAY-G-র জন্য অতিরিক্ত নথি

  • MGNREGA জব কার্ড নম্বর (যদি প্রযোজ্য)
  • স্বচ্ছ ভারত মিশন (SBM) নিবন্ধন নম্বর – টয়লেট নির্মাণ সহায়তার জন্য
  • জমির মালিকানার নথি (যদি জমি নিজস্ব থাকে)

PMAY-U (CLSS)-র জন্য অতিরিক্ত নথি

  • EWS/LIG/MIG সার্টিফিকেট (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)
  • সম্পত্তির মূল্যায়ন সনদ
  • লোন আবেদনের ক্ষেত্রে ব্যাংকের প্রয়োজনীয় ফর্ম

🌾 পশ্চিমবঙ্গে PMAY: বিশেষ তথ্য

১০ লক্ষ নতুন ঘর অনুমোদিত

৯ জুন ২০২৬-এ কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গের জন্য PMAY-র আওতায় ১০ লক্ষ ঘর নির্মাণের অনুমোদন দেয়।

আর্থিক সহায়তা

পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ অঞ্চলের সুবিধাভোগীরা সমভূমির জন্য ₹১,২০,০০০ টাকা এবং পার্বত্য/দুর্গম এলাকার জন্য ₹১,৩০,০০০ টাকা পাবেন।

বেনিফিশিয়ারি তালিকা কীভাবে চেক করবেন

pmayg.nic.in পোর্টালে গিয়ে ‘Social Audit Reports’ → ‘Beneficiary details for verification’ নির্বাচন করে জেলা ও ব্লক অনুযায়ী আপনার নাম দেখতে পারেন।

আবেদনের স্থিতি কীভাবে চেক করবেন?

PMAY-U আবেদনকারীরা pmaymis.gov.in-এ গিয়ে ‘সিটিজেন অ্যাসেসমেন্ট’ বিভাগে প্রবেশ করে আবেদন নম্বর বা আধার নম্বর দিয়ে স্থিতি জানতে পারেন। PMAY-G আবেদনকারীরা pmayg.nic.in-এর ‘স্টেকহোল্ডারস’ → ‘IAY/PMAYG Beneficiary’ অপশনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন নম্বর বা উন্নত অনুসন্ধানের মাধ্যমে স্থিতি জানতে পারেন।

📞 জরুরি হেল্পলাইন ও যোগাযোগ

কেন্দ্রীয় হেল্পলাইন (PMAY-U CLSS)

এনএইচবি (NHB): 1800-11-3377, 1800-11-3388
এইচইউডিসিও (HUDCO): 1800-11-6163

ইমেইল সাপোর্ট

PMAY-U: pmay.mohua@gov.in
PMAY-G: support-pmayg@gov.in

অফিসিয়াল পোর্টাল

শহুরে: pmaymis.gov.in
গ্রামীণ: pmayg.nic.in
আবেদন, স্ট্যাটাস ও বেনিফিশিয়ারি তালিকার জন্য ভিজিট করুন।

📰 সর্বশেষ আপডেট (২০২৬)

পশ্চিমবঙ্গের জন্য ১০ লক্ষ ঘর

৯ জুন ২০২৬-এ কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গের জন্য PMAY-র আওতায় ১০ লক্ষ গৃহ নির্মাণের অনুমোদন দেয় এবং রাজ্যের জন্য ₹১,৭০০ কোটি বরাদ্দ করে।

₹১০,০২১ কোটি মাদার স্যাংশন

কেন্দ্রীয় সরকার ১২টি রাজ্যের জন্য ₹১০,০২১ কোটি টাকার PMAY-G মাদার স্যাংশন অনুমোদন করেছে। এতে গ্রামীণ আবাসন নির্মাণের কাজ আরও গতিশীল হবে।

৩.৮৭ কোটি ঘর অনুমোদিত

কেন্দ্রীয় সরকার PMAY-G-র আওতায় এ পর্যন্ত ৩ কোটি ৮৭ লক্ষেরও বেশি ঘর অনুমোদিত হয়েছে এবং ২ কোটি ৯৫ লক্ষের বেশি ঘর সম্পূর্ণ হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা কী, কারা পাবেন সুবিধা এবং কীভাবে আবেদন করবেন?

নিজের একটা পাকা বাড়ি চাওয়ার ইচ্ছা, এই অনুভূতিটা তো অনেকের মধ্যেই থাকে। কিন্তু টাকার অভাবে অনেক মানুষ সেই স্বপ্নটা দেখতে সাহস পান না। এই জায়গা থেকেই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা চালু করেছিল কেন্দ্র সরকার—যাতে দেশের কম আয় বা মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোও একটা নিরাপদ, পাকা বাড়ি পায়।


২০১৫ সালের ২৫ জুন এই প্রকল্প শুরু হয়েছিল। তখন থেকেই শহর আর গ্রামে যাদের মাথা গোজার মতো বাড়ি নেই, বা কাঁচা ঘরে থাকতে হয়, তাদের জন্য শুরু হয় সরকারি সাহায্য দেওয়া। এই প্রকল্পে দুটো ভাগ—একটা 'গ্রামীণ', মানে গ্রামের জন্য, আরেকটা 'আরবান', শহরের জন্য।


শহরাঞ্চলের জন্য আলাদা একটা সরকারি পোর্টাল আছে। ওখান থেকেই আপনি আবেদন জমা দিতে পারবেন, আবার নিজের আবেদন কোথায় আছে, সেটা-ও দেখতে পারবেন। পুরো বিষয়টাই বেশ সহজ করে রাখা হয়েছে।


আবার, শুধু একটা বাড়ি তুলে দেওয়াই নয়—বাড়ির সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ, পানির সংযোগ, রান্নার গ্যাস আর শৌচাগারও পাবে পরিবারের লোকেরা। একটা নিরাপদ, স্বাভাবিক জীবন পেতে যা লাগে, তার অনেকটাই এই প্রকল্পের বিতরণ তালিকায়।


এই যোজনার সুবিধা মূলত সেইসব পরিবার পায়, যারা আর্থিকভাবে খারাপ অবস্থায় আছে—অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণি, নিম্নবিত্ত, আর মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষরা। একটা বড় শর্ত—আবেদনকারীর, বা তার পরিবারের কারও নামে আগে থেকে পাকা বাড়ি থাকতে পারবে না।


আর একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক, বাড়ির মালিকানা মেয়েদের নামে রাখতে সরকার জোর দিচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে স্ত্রী বা পরিবারের কোনো মহিলা সদস্যের নামে বাড়ির কাগজ রাখতে হয়। এতে নারীরা নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগ পান।


এখন, এই সুবিধা পেতে গেলে কিছু শর্ত অবশ্যই মানতে হবে। উদাহরণ হিসেবে, আবেদনকারীর বয়স ১৮-এর ওপর হতে হবে, বৈধ আধার নম্বর থাকতে হবে, আর পরিবারের বার্ষিক আয় বেঁধে দেওয়া সীমার মধ্যে থাকতে হবে। নাম, ঠিকানা, পরিচয়পত্র, আয় শংসাপত্র, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের কাগজ, আধার, ভোটার আইডি, প্যান কার্ড—এসব তো লাগবেই। কেউ যদি নিজের জমিতে বাড়ি বানাতে চান, সেই জমির কাগজও লাগতে পারে।


আবেদন করতে হলে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ওয়েবসাইটে ঢুকতে হবে। ওখানে আপনি নিজের তথ্য ভালো করে তুলে ধরে আবেদনপত্র জমা দিন। একবার আবেদন করলে আপনাকে একটা অ্যাসেসমেন্ট নম্বর দেওয়া হবে, সেটা পরে আবার লগ-ইন করে নিজের আবেদনের অবস্থা জানতে কাজে লাগবে—নোট করে রাখুন।


অনেকে অনলাইনে অর্ডার দিতে ভয় পান বা অসুবিধায় পড়েন। তারা কাছের কমন সার্ভিস সেন্টারের, বা পুরসভার অফিসে গিয়ে, সামান্য ফি দিয়ে এই আবেদন করার সুবিধা পান।


আপনি আবেদন জমা দিলে সংশ্লিষ্ট অফিস আপনার তথ্য খুঁটিয়ে বাজিয়ে দেখে। সব কিছু ঠিক থাকলে সরাসরি আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নির্দিষ্ট টাকা পাঠিয়ে দেয়।


অনেকেই ভাবেন, তাহলে আমার নাম তালিকায় আছে কি না, সেটা কীভাবে জানব? সরকারি পোর্টালে গিয়ে মুঠোফোন নম্বর, নাম অথবা অ্যাসেসমেন্ট নম্বর দিয়ে সহজেই এটা জেনে নিতে পারবেন। কবে টাকা ছাড়বে, সেই খবরও পাওয়া যায় অনলাইনে।


এই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা দেশের সবচেয়ে বড় আবাসন প্রকল্পগুলোর মধ্যে একটা। লক্ষ লক্ষ পরিবার এ পর্যন্ত সরকারি টাকায় নিজেদের স্বপ্নের বাড়ি হাতে পেয়েছেন। কম আয়ের মানুষগুলো সবচেয়ে বেশি স্বস্তি পেয়েছেন এই প্রকল্পে।


আপনি যদি এখনও শহরে থাকেন এবং নিজের নামে কোনো পাকা বাড়ি না থাকে, তাহলে দেরি না করে চেষ্টা করুন। সরকার ঠিক কাকে, কোন শর্তে অনুমোদন দেবে—ওয়েবসাইটে সব আপডেট পাওয়া যায়, আগে দেখে নিন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিক মত জমা দিন, তাহলে এই যোজনার সাহায্যে হয়তো স্বপ্নের পাকা বাড়ির চাবিটাও একদিন হাতে পেয়ে যাবেন।

❓ প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

PMAY-র জন্য কী কী নথি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ?
আধার কার্ড, আয়ের প্রমাণপত্র, নো-পাকা-হাউজ হলফনামা এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ। PMAY-G-র ক্ষেত্রে MGNREGA জব কার্ড ও SBM নিবন্ধন নম্বর অপরিহার্য
আমার নাম ইতিমধ্যে PMAY-G তালিকায় আছে, কখন টাকা পাব?
অনুমোদন পাওয়ার পর থেকে নির্মাণের অগ্রগতির ভিত্তিতে কিস্তিতে টাকা DBT-র মাধ্যমে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আসে。সম্পূর্ণ নির্মাণে সাধারণত ৬-১২ মাস সময় লাগে
আমি ইতিমধ্যে অন্য কোনো কেন্দ্রীয় আবাসন প্রকল্প থেকে সাহায্য পেয়েছি, তাহলে কি PMAY-র জন্য যোগ্য?
না। PMAY-র শর্ত অনুযায়ী যিনি পূর্বে অন্য কোনো কেন্দ্রীয় আবাসন প্রকল্প থেকে সুবিধা নিয়েছেন, তিনি এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য নন
PMAY-U ২.০ কী? এটি কীভাবে পুরনো সংস্করণ থেকে আলাদা?
PMAY-U ২.০ হলো শহুরে আবাসন প্রকল্পের আপডেটেড সংস্করণ। এতে ক্লেইম প্রক্রিয়াজাতকরণ দ্রুততর করা হয়েছে, নথি যাচাই ডিজিটাল পদ্ধতিতে করা হয় এবং সুদ ছাড়ের প্রক্রিয়া আরও সরলীকৃত করা হয়েছে। আয়ের ক্যাটাগরি এবং সুদ ছাড়ের হার একই রয়েছে

গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের সরাসরি লিংক

বিধবা ভাতা আবেদন আয়ুষ্মমান কার্ড যুবশক্তি ভরসা কার্ড প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা পশ্চিমবঙ্গ সরকারি প্রকল্প তালিকার্ড কারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের টাকা পাবেন না? জনকল্যাণ শিবির
Deb Sarkar

লেখক: Deb Sarkar

Deb Sarkar পশ্চিমবঙ্গের সরকারি প্রকল্প, কেন্দ্রীয় সরকারি স্কিম, ডিজিটাল পরিষেবা এবং অনলাইন আয়ের বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। তিনি বিভিন্ন সরকারি বিজ্ঞপ্তি, অফিসিয়াল পোর্টাল এবং নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করে পাঠকদের কাছে সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেন।

✓ Fact Checked Content ✓ Government Scheme Researcher ✓ Updated Information