বিগ বসে এসেছিলেন কোন স্বপ্ন নিয়ে?

সম্প্রতি ‘বিগ বস বাংলা’-তে প্রতিযোগী হয়ে আসার পর অ্যালেক্সের জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে গেছে। তিনি শুরু থেকেই খোলাখুলি বলেছিলেন, কলকাতায় মায়ের জন্য একটা ফ্ল্যাট কিনতে চান—আর সেই কারণেই ‘বিগ বস বাংলায়’ এসেছেন। বাংলা আর বাঙালিকে ভালোবাসার কারণে এই শো-টাও নিজের কাছে একটা বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখেছিলেন।

জন্মসূত্রে আইরিশ-ব্রিটিশ হলেও, NDTV-র রিপোর্ট অনুযায়ী, আলেকজান্দ্রার কলকাতায় একটি বাড়ি রয়েছে যেখানে তিনি মায়ের সঙ্গে থাকতে চান। এই শহরের প্রতি তাঁর টান এতটাই গভীর যে তিনি এখানেই পাকাপাকিভাবে বসবাস করতে চান।

অভিনেত্রী
আলেকজান্দ্রা টেলর
স্বপ্ন
মায়ের জন্য ফ্ল্যাট
শহর
কলকাতা
শো
বিগ বস বাংলা

বিদায়ের সময় সৌরভকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি

কিন্তু প্রতিযোগিতাটা খুব বেশি দিন টিকল না—কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ছিটকে যেতে হয়েছিল আলেকজান্দ্রাকে। TV9 Bangla-র রিপোর্ট অনুযায়ী, মাত্র তিন সপ্তাহের মাথায় বিগ বসের ঘর থেকে বিদায় নিতে হয় তাঁকে।

তবু, ‘বিগ বস’ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় তিনি সৌরভ গাঙ্গুলিকে স্পষ্ট বলেছিলেন, মায়ের স্বপ্ন, মানে কলকাতায় নিজের ফ্ল্যাট কেনা, ধারণ করেই ছাড়বেন। সেই কথারই প্রতিফলন যেন এবার। অ্যালেক্স অবশেষে তাঁর মায়ের জন্য কলকাতার বুকে ফ্ল্যাট কিনে ফেললেন।

অবশেষে ফ্ল্যাট কিনলেন অ্যালেক্স

সবাইকে এই সুখবরটা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই জানালেন অ্যালেক্স। ফ্ল্যাটের চাবি হাতে নিয়ে আনন্দে বলেন, “আমি পেরেছি!” এত বড় একটা স্বপ্ন পূরণ হলে এমন খুশি হওয়াই তো স্বাভাবিক।

তিনি যখন এই খবর পোস্ট করলেন, বান্ধবী ঝিলম-সহ আরও অনেকে তাঁর কমেন্টবক্সে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ‘বিগ বস’-এ যে স্বপ্ন নিয়ে তিনি এসেছিলেন, সেটা যে সত্যিই পূরণ করতে পেরেছেন—দেখে সবাই খুশি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সুখবর

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই অনুরাগীরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। কেউ লিখেছেন, “গর্বিত তোমাকে নিয়ে অ্যালেক্স!” আবার কেউ লিখেছেন, “বিদেশি হয়েও তুমি বাঙালির মন জয় করে নিলে।” কমেন্টবক্সে শুভেচ্ছার বন্যা বইছে।

কলকাতার প্রতি ভালোবাসা

সবসময় তো আমরা দেখি, মানুষ বিদেশে গিয়ে নতুন জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখে। সেক্ষেত্রে, এক ব্রিটিশ মেয়ে কলকাতা নগরীতে শুধু মায়ের জন্য ফ্ল্যাট কিনেছেন—এটা নিঃসন্দেহে প্রতিটা ভারতীয়, বিশেষ করে কলকাতাবাসীর কাছে গর্বের ব্যাপার।

আলেকজান্দ্রা টেলর প্রমাণ করেছেন, ভালোবাসার কোনো সীমানা নেই। বাংলা সিনেমা, বাংলার মানুষ আর এই শহরের প্রতি তাঁর টানই তাঁকে এখানে টেনে এনেছে। এখন দেখার, আগামী দিনে তিনি আর কী কী স্বপ্ন পূরণ করেন।

সূত্র ও রেফারেন্স