বড় টুইস্টের গুঞ্জন: নন্দিনী বাদ পড়লেও ফিরতে পারেন?
‘বিগ বস বাংলা’ মানেই তো প্রতিটা মুহূর্তে টানটান উত্তেজনা, নতুন নতুন নাটক, আর সম্পর্কের পাল্টা-পাল্টা হিসেব। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। দর্শকদের জন্য অপেক্ষা করছে এমন একটা টুইস্ট, যা আগে এখানে দেখা যায়নি। আর পুরো রহস্যের কেন্দ্রবিন্দুতে নন্দিনী দত্ত—এই সিজনের সবচেয়ে আলোচিত আর বিতর্কিত প্রতিযোগী।
গুঞ্জনে শোনা যাচ্ছে, এই সপ্তাহে ‘দাদার দরবারে’ এলিমিনেশনের ধারটা সবচেয়ে বেশি নন্দিনীর দিকেই। কিন্তু এখানেই চমক। নন্দিনী এলিমিনেট হলেও, সেটা কোনো সাধারণ বিদায় হবে না। শোনা যাচ্ছে, বিগ বস এমন কিছু করতে চলেছেন যাতে নন্দিনী ঘর ছেড়ে বেরোবার পরেও, এক নতুন মোড়ে ফিরে আসতে পারেন খেলায়। এই গোপন প্ল্যানে আসলে কী আছে—তা জানতে ভীষণ কৌতূহলী দর্শকরা। সেই আসল রহস্যও ফাঁস হবে এই সপ্তাহের ‘দাদার দরবারে’।
টেলিপাড়ার অন্দরের খবর অনুযায়ী, শোয়ের আকর্ষণ বজায় রাখতেই এই চাল। কারণ নন্দিনী এই মুহূর্তে শোয়ের সবচেয়ে বড় আলোচনার কেন্দ্র। তিনি ঘরে থাকলে যেমন নাটক হয়, বাইরে গেলেও তাঁর নামেই আলোচনা চলবে। তাই বিগ বস চাইছেন, নন্দিনীর বিদায়কে ঘিরেও একটি বড় চমক তৈরি করতে।
ঘরে নন্দিনীর যাত্রা: কেন তিনি সবচেয়ে আলোচিত?
শুরুর দিন থেকেই বিগ বসের ঘরে আলোচনার কেন্দ্র নন্দিনী দত্ত। বাংলা টেলিভিশন ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মের পরিচিত মুখ তিনি। ‘বসন্ত বিলাস মেসবাড়ি’, ‘রামকৃষ্ণ’ ও ওয়েব সিরিজ ‘বোধন’-এর মতো কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু বিগ বস বাংলায় অংশ নেওয়ার পর টেলিভিশন ও ওটিটির বাইরেও নতুন করে আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেত্রী।
বিশেষ করে রাজবীর দে’র সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক—কখনও মিষ্টি, কখনও অশান্ত—সবসময় আলাদা কৌতূহল তৈরি করেছে। ঝগড়া, মান-অভিমান, আর অন্য প্রতিযোগীদের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক, সবমিলিয়ে নন্দিনীর উপস্থিতিতেই ঘরের রসায়ন বদলে গেছে বারবার। কখনও তিনি শক্তিশালী খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন, আবার কখনও ব্যক্তিগত সম্পর্কের কারণে সমালোচনার মুখে পড়েছেন।
একটি বিষয় অস্বীকার করার উপায় নেই—নন্দিনী যত সমালোচনার মুখেই পড়ুন, দর্শকদের টিভি পর্দার সামনে আটকে রাখার ক্ষমতা তাঁর আছে। তাঁর উপস্থিতি মানেই ঘরে নতুন কিছু ঘটবে, এই আশায় দর্শকরা অপেক্ষা করেন। তাই তিনি বাদ পড়লে শোয়ের একটি বড় অংশের আকর্ষণ কমে যেতে পারে—এটাও বিগ বসের মাথায় আছে।
রাজবীর-নন্দিনীর সম্পর্ক: প্রেম, ঝগড়া ও বিতর্ক
রাজবীর দে পেশায় মডেল ও অভিনেতা, শিলিগুড়ির বাসিন্দা। ২০২৩ সালে ‘এমটিভি রোডিজ: কর্ম ইয়া কাণ্ড’-এ অংশ নিয়ে পরিচিতি পান। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ওয়াইল্ড কার্ড প্রতিযোগী হিসেবে ‘বিগ বস বাংলা ৩’-এ যোগ দেন। ঘরে ঢোকার পরেই নন্দিনীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা দর্শকদের নজর কাড়ে।
কিন্তু এই সম্পর্ক মোটেই সরলরেখায় চলেনি। কখনও দুজনে একসঙ্গে মিষ্টি মুহূর্ত কাটিয়েছেন, কখনও আবার প্রকাশ্যে তুমুল ঝগড়া হয়েছে। লাক্সারি বাজেট টাস্ক চলাকালীন দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। রাজবীর নন্দিনীকে বলেন, “ভালোবাসার অভিনয় কোরো না।” এই মন্তব্য ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। রাজবীরের অভিযোগ ছিল, নন্দিনী তাঁর বিরোধীদের সঙ্গে খেলতে চাইছেন এবং বারবার তাঁর সঙ্গে বিবাদে জড়াচ্ছেন।
তবে এই তিক্ততা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। শোয়ের আগের পর্বগুলোর মতোই কিছুক্ষণের মধ্যে ফের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে দেখা যায় দুজনকে। এই টক-মিষ্টি সম্পর্কই দর্শকদের সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করে। কিন্তু এই সম্পর্কের সত্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে—যা নিয়ে পরে মুখ খুলেছেন ভরত কলের মতো প্রতিযোগীরা।
জীতু-সংঘাত ও নবনীতার প্রসঙ্গ
কয়েকদিন আগের পর্বে অভিনেতা জীতু কমলের সঙ্গে রাজবীরের হাতাহাতির মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। জীতু এবং রাজবীর—দুজনেই বিগ বস বাংলার ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি। শুরুতে দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল, কিন্তু নন্দিনীকে কেন্দ্র করে সেই সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছায়।
‘দাদার দরবার’-এ জীতু নাকি মন্তব্য করেন, রাজবীরের বয়স অনেক কম, তাই তিনি এখনও ‘পুতুল’ নিয়ে খেলেন। এই কথায় মেজাজ হারিয়ে রাজবীর জীতুর দিকে তেড়ে যান। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয় যে অন্য প্রতিযোগীদের হস্তক্ষেপ করতে হয়।
এরপর জীতুর অভিযোগ—নন্দিনী নাকি তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী নবনীতার নাম টেনে তাঁকে কটাক্ষ করেছেন। এই অভিযোগ সরাসরি নন্দিনীর ব্যক্তিগত জীবন এবং পারিবারিক সম্মানের প্রশ্ন তুলেছে। নন্দিনীর বাবা এই অভিযোগের জবাবে সরাসরি কিছু না বললেও, তাঁর সামগ্রিক মন্তব্য থেকে বোঝা যায় তিনি মেয়ের পক্ষে দাঁড়াতে প্রস্তুত।
এই সংঘাতের পর সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় কড়া ভাবে রাজবীর এবং নন্দিনীকে সতর্ক করেন। তাঁর মতে, ঘরের পরিবেশ ক্রমশ অস্বাস্থ্যকর হয়ে উঠছিল। জীতুকেও তিনি সতর্ক করেন। ফলে ঘরের পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও, নন্দিনী-রাজবীর-জীতু ত্রিভুজ নিয়ে আলোচনা থামেনি।
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ফাইনাল ওয়ার্নিং
গত সপ্তাহে ‘দাদার দরবার’-এ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় রাজবীর এবং নন্দিনীকে কড়া ভাষায় সতর্ক করেন। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, বিগ বস বাংলা একটি পারিবারিক শো। সেখানে প্রকাশ্যে অতি ঘনিষ্ঠতা, বিশেষ করে অন-স্ক্রিন কিসিং, পারিবারিক দর্শকদের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। সৌরভ স্পষ্টভাবে বলেন, ক্যামেরা ২৪ ঘণ্টা চালু থাকে এবং দর্শকরা প্রতিটি মুহূর্ত দেখছেন। এই সতর্কবার্তাকে অনেকেই ‘ফাইনাল ওয়ার্নিং’ হিসেবে দেখছেন।
সৌরভ আরও বলেন, ঘরের মধ্যে তাদের বারবার ঘনিষ্ঠ হওয়া ও আলিঙ্গন নিয়েও তাঁর আপত্তি আছে। তিনি স্পষ্ট করেন, অনুষ্ঠানে কোনো অশালীন আচরণ বরদাশত করা হবে না। প্রয়োজনে তাঁদের ঘর থেকে বের করে দেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
শুধু রাজবীর-নন্দিনী নন, জীতু-রাজবীর সংঘাত এবং খাবার নষ্ট নিয়েও কড়া বার্তা দেন সৌরভ। তিনি রাজবীরের প্রত্যেকের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির কারণ হিসেবে নন্দিনীকেই দায়ী করেন। তাঁর পরামর্শ ছিল—রাজবীরকে জোর করে আগলে রাখার চেষ্টা না করা, এবং রাজবীরকে নিজের মতো করে খেলার সুযোগ দেওয়া।
নন্দিনীর বাবার প্রতিক্রিয়া ও পারিবারিক চাপ
মেয়ের ওপর সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের কড়া মন্তব্য পরিবারের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছিল। নন্দিনীর বাবা সন্দীপ দত্ত এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “সেদিন যা হয়েছিল, আমি আর ওর মা ঘুমোতে পারিনি। মেয়েকে নিয়ে চিন্তা। মা প্রায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। বাবারা হয়তো যুক্তি দিয়ে বিচার করতে চায়, কিন্তু মায়েরা তো আর সেটা পারে না, ওদের কাছে সবটাই মমতা।”
তবে তিনি স্বীকার করেছেন, সৌরভের বকাঝকা আসলে মেয়ের ভালোর জন্যই ছিল। তিনি বলেন, “ভেবে দেখলাম, সবটা ওদের ভালোর জন্যই। রাজবীর যেন কোনো ভুল না করে বসে, যাতে ওকে ঘর থেকে বের করে দিতে না হয়, নন্দিনী যেন মনোযোগ হারায় না—এই ছিল আসল উদ্দেশ্য।” তিনি আরও বলেন, “প্লেয়ারের ভুল হলে কোচ তো চুপ করে থাকতে পারে না, তাকেই তো সামলাতে হবে।”
একইসঙ্গে নন্দিনীর বাবা জীতু কমলকে নিয়েও তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “ওঁ কখনো সাধু, কখনো ভণ্ড। কখন কী করবে কেউ জানে না। যে রুদ্রাক্ষের মালা পরে ধ্যান করে, ঘণ্টার পর ঘণ্টা চোখ বন্ধ রেখে বসে, তার এভাবে রাগারাগি করা একদম অস্বাভাবিক।” এই মন্তব্য ঘরের বিতর্ককে আরও বাড়িয়ে দেয়।
ভরত কলের মন্তব্য: ‘এটা কৌশল, ভালোবাসা নয়’
৫২ দিন ঘরে থাকার পর বাদ পড়েন প্রবীণ অভিনেতা ভরত কল। বাদ পড়ার পর তিনি রাজবীর-নন্দিনীর সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছিলেন। তাঁর স্পষ্ট মন্তব্য—এই সম্পর্ক আসলে একটি পরিকল্পিত কৌশল, সত্যিকারের প্রেম নয়।
ভরতের মতে, এই রোম্যান্স মূল প্রতিযোগিতার আসল চেহারাকে ঢেকে রাখার কাজ করছে। একজন বাবার দৃষ্টিকোণ থেকে তিনি বলেছিলেন, জাতীয় টেলিভিশনে এমন আচরণ তাঁর নিজের মেয়ের ক্ষেত্রে হলে তিনি চিন্তিত হতেন। নন্দিনীর ঐতিহ্যবাহী বাঙালি পরিবারের পটভূমির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেছিলেন, এই ধরনের প্রকাশ্য প্রদর্শনী তাঁর জন্য অনুচিত।
তবে তিনি নন্দিনীর সম্ভাবনাকে স্বীকার করেছেন। তাঁর মতে, নন্দিনী নিজের যোগ্যতায় একজন শক্তিশালী স্বতন্ত্র খেলোয়াড় হতে পারেন। দুজনকেই তিনি পরামর্শ দিয়েছিলেন—ব্যক্তিগত সম্পর্কের বদলে খেলার দিকে মনোযোগ দেওয়ার জন্য। এই মন্তব্য নন্দিনীর ব্যক্তিগত খেলার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দেয়।
নমিনেশন ও সেফ জোনের সমীকরণ
এই সপ্তাহের নমিনেশন পর্বে মনামী ঘোষ ক্যাপ্টেন হিসেবে বিশেষ ক্ষমতা পান। তিনি একাধিক প্রতিযোগীকে নমিনেট করার সুযোগ পান। পাশাপাশি সোনামণিকে সরাসরি ইমিউনিটি দেওয়া হয়। নিরঞ্জন সেভ করেন দুর্নিবারকে। সোনামণি নমিনেট করেন নন্দিনীকে, ব্যক্তিগত রেষারেষির কারণে।
তবে সবচেয়ে চমকপ্রদ ঘটনা হলো—নন্দিনী নিজেই সৃজলাকে সেভ করেছেন, যদিও সৃজলার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ভালো নয়। এই সিদ্ধান্ত অনেককে অবাক করেছে। অন্যদিকে ‘দাদার দরবার’-এ মোহরের ব্যাগ পেয়ে সেফ জোনে চলে যান নন্দিনী, রাজবীর এবং জীতু। ফলে আপাতত তারা তিনজন নিরাপদ।
কিন্তু এই নিরাপত্তা কতদিন থাকবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ এই সপ্তাহেই নন্দিনীর এলিমিনেশনের গুঞ্জন সবচেয়ে জোরালো। যদি সেফ জোনে থেকেও তিনি বাদ পড়েন, তাহলে সেটাই হবে সবচেয়ে বড় চমক। আর ঠিক এই জায়গাতেই বিগ বসের ‘টুইস্ট’ পরিকল্পনার ইঙ্গিত মিলছে।
টুইস্ট কী হতে পারে? সম্ভাব্য তিনটি চিত্রনাট্য
১. ওয়াইল্ড কার্ড প্রত্যাবর্তন: নন্দিনী বাদ পড়লে পরবর্তী সপ্তাহে ওয়াইল্ড কার্ড হিসেবে ফিরে আসতে পারেন। এই সিজনে ইতিমধ্যেই রাজবীর, জীতু, সৌরভ দাস, রণিতা দাস—অনেকেই ওয়াইল্ড কার্ড হিসেবে ঢুকেছেন। তাই নন্দিনীর ক্ষেত্রেও এই পথ খোলা থাকতে পারে। তবে সাধারণ ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রির চেয়ে এটি আলাদা হতে পারে—যেমন ‘ঘরের বাইরে থেকে খেলা’ বা ‘গোপন মিশন’।
২. ‘মিড-উইক টুইস্ট’ বা গোপন কক্ষ: নন্দিনীকে সরাসরি বাদ না দিয়ে একটি আলাদা কক্ষে রাখা হতে পারে, যেখান থেকে তিনি ঘরের ঘটনা দেখতে পাবেন এবং বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। বাংলা রিয়্যালিটি শোতে এই ধরনের চাল আগে খুব একটা দেখা যায়নি। তাই এটি হলে সত্যিই নতুনত্ব হবে।
৩. ‘এলিমিনেশন নাটক’: সম্পূর্ণ এলিমিনেশনটি নাটকীয় হতে পারে—অর্থাৎ দর্শকদের বিশ্বাস করানো হবে তিনি বাদ পড়ছেন, কিন্তু পরে ফাঁস হবে এটি একটি টাস্ক বা বিশেষ পর্বের অংশ। এই ধরনের চাল দর্শকদের মধ্যে আলোচনা তৈরি করে, যা শোয়ের টিআরপি বাড়াতে সাহায্য করে।
তবে যেটাই হোক, একটি বিষয় স্পষ্ট—বিগ বস চাইছেন নন্দিনীকে ঘিরে আলোচনা চলুক। কারণ এই মুহূর্তে শোয়ের সবচেয়ে বড় ‘টকিং পয়েন্ট’ তিনিই।
সামনে কী? দাদার দরবারের অপেক্ষা
সব রহস্যের পর্দা উঠবে শনিবার রাতে ‘দাদার দরবারে’র বিশেষ পর্বে। সেখানে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সামনে নন্দিনীর ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে। দর্শকদের একাংশ চাইছেন তিনি ঘরে থাকুন, কারণ তাঁর উপস্থিতি শোকে জমিয়ে রাখে। আবার একাংশ বলছেন, ব্যক্তিগত সম্পর্কের অতিরিক্ত প্রদর্শনী এবং বিতর্কের কারণে তাঁর বাদ পড়া উচিত।
যাই হোক, নন্দিনী দত্ত এই সিজনের সবচেয়ে আলোচিত নাম—এটা অনস্বীকার্য। তিনি ঘরে থাকলে যেমন খেলা জমবে, বাইরে গেলেও তাঁর নামেই আলোচনা চলবে। বিগ বসও সেটা জানেন। তাই তাঁর বিদায়কে ঘিরে যে টুইস্ট আসছে, তা শোয়ের গতিপথ বদলে দিতে পারে।
এখন শুধু অপেক্ষা—শনিবার রাতের ‘দাদার দরবার’ কী বলবে।