🪔 Seva Sankalp Abhiyan 2026: নবান্নের নির্দেশিকা, ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর রাজ্যজুড়ে ১০ কর্মসূচি
Seva Sankalp Abhiyan 2026: নবান্ন এবার রাজ্যজুড়ে ‘সেবা সংকল্প অভিযান’ চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে অভিযান, শেষ হবে ১০ অক্টোবর। মূলত এক ছাতার নিচে নানা ধরনের কর্মসূচি—জনসচেতনতা বাড়ানো থেকে শুরু করে সরকারি পরিষেবা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া—সব কিছুর গাইডলাইন এসে গেছে।
Seva Sankalp Abhiyan West Bengal: সব দফতর, জেলা প্রশাসন, পুরসভা আর ব্লক প্রশাসন—এবার সবাইকেই একসঙ্গে পরিকল্পনা মতো এগোতে হবে। সরকারি প্রকল্প আর পরিষেবা আরও সহজে মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া, সবাইকে অংশ নিতে উৎসাহিত করা, আর ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর স্বপ্নকে সামনে রেখেই পুরো পরিকল্পনা।
রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল এবং তথ্য ও সংস্কৃতি সচিব সৌমিত্র মোহনের স্বাক্ষরিত নির্দেশিকায় দশটি মূল কর্মসূচির কথা বলা হয়েছে। মূল লক্ষ্য হলো সরকারি পরিষেবা মানুষের আরও কাছাকাছি পৌঁছে দেওয়া এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা।
প্রধান কর্মসূচি: আশীর্বাদের প্রদীপ
১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ দিয়ে অভিযান শুরু হবে। সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগী আর তাঁদের পরিবার মিলে একসঙ্গে প্রদীপ জ্বালাবে। জেলা আর ব্লক প্রশাসন চাইলে প্রতিটি বিধানসভায় ৫০ হাজার করে প্রদীপ সংগ্রহের কাজ শুরু করতে পারে। শুধু তাই নয়, ঐতিহাসিক বা উল্লেখযোগ্য স্থানেও প্রদীপ জ্বালানোর ব্যবস্থা থাকবে, যাতে সাধারণ মানুষও এই উদ্যোগে অংশ নিতে পারে। কলকাতার গঙ্গার ঘাটে ১ লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
‘আমার স্বপ্নের ভারত—চিত্র সেবা’
১৭ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ‘আমার স্বপ্নের ভারত—চিত্র সেবা’ চলবে স্কুল ও উচ্চশিক্ষা দফতরের উদ্যোগে। ছাত্রছাত্রীরা আর শিক্ষকরা অংশ নেবে বক্তৃতা, অঙ্কন, প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা, এমনকি নানা প্রদর্শনীতে। পাশাপাশি, ‘নমো সেবা—অজানা কাহিনি’ নামে অন্য এক কর্মসূচিও চলবে; এখানে গান আর নাটকের মাধ্যমে জনসেবা আর জনকল্যাণমূলক গল্প তুলে ধরা হবে সবাইকে।
‘অন্ন মিলন সেবা’ ও অন্যান্য কর্মসূচি
১৫ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে ‘অন্ন মিলন সেবা’ চলবে—এখানে পুষ্টি, স্বাস্থ্য আর মহিলাদের জন্য বিশেষ প্রকল্পে মানুষকে নিয়ে আসার উপর বেশি জোর থাকবে। সংক্ষেপে বললে, রাজ্য এবার বড় আকারে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে চাইছে—অনেকটাই নতুনভাবে।
‘সেবার কাহিনি’ শুরু হচ্ছে ১৭ সেপ্টেম্বর আর চলবে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত। এই সময়ে সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের অভিজ্ঞতা ভিডিও, রিল, ছবি বা লেখার মাধ্যমে সংগ্রহ করবে জেলা প্রশাসন। এরপর ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর, ‘সেবায় আমার যোগদান’ কর্মসূচি চলবে। পরিবেশ, বৃক্ষরোপণ, স্বাস্থ্য আর শিক্ষার মতো জনকল্যাণমূলক কাজে সাধারণ মানুষ অংশ নিতে পারবে।
শিবিরে গিয়ে উপভোক্তারা সরাসরি নথিভুক্তও হতে পারবেন। ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ‘সেবার রঙে, দেশের সঙ্গে’, ৭ অক্টোবর ‘সেবা জ্যোতি কলস যাত্রা’, আর ৯ অক্টোবর ‘সেবা ফার্স্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’। শেষ অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি, শিক্ষা, শিল্প-বাণিজ্য, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং ক্রীড়ার মতো নানা ক্ষেত্রে উদ্ভাবন তুলে ধরা হবে। কলকাতা এই আয়োজনের অন্যতম আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে থাকছে।
১০টি মূল কর্মসূচির সম্পূর্ণ তালিকা
| সেবা সংকল্প অভিযান – ১০টি মূল কর্মসূচি | |
|---|---|
| ১. আশীর্বাদের প্রদীপ | ১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা – বিধানসভা ও ঐতিহাসিক স্থানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন |
| ২. আমার স্বপ্নের ভারত—চিত্র সেবা | ১৭–৩০ সেপ্টেম্বর – স্কুল-কলেজে বক্তৃতা, অঙ্কন, প্রবন্ধ প্রতিযোগিতা |
| ৩. নমো সেবা—অজানা কাহিনি | গান-নাটকের মাধ্যমে জনকল্যাণমূলক গল্প উপস্থাপন |
| ৪. অন্ন মিলন সেবা | ১৫–১৭ সেপ্টেম্বর – অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সচেতনতা |
| ৫. সেবার কাহিনি | ১৭ সেপ্টেম্বর–৯ অক্টোবর – সুবিধাভোগীদের অভিজ্ঞতা সংগ্রহ |
| ৬. সেবায় আমার যোগদান | ২০ সেপ্টেম্বর–৬ অক্টোবর – পরিবেশ, স্বাস্থ্য, শিক্ষায় স্বেচ্ছাসেবা |
| ৭. সেবার রঙে, দেশের সঙ্গে | ৬ অক্টোবর – জনকল্যাণমূলক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান |
| ৮. সেবা জ্যোতি কলস যাত্রা | ৭ অক্টোবর – প্রদীপ ও কলস নিয়ে শোভাযাত্রা |
| ৯. সেবা ফার্স্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ | ৯ অক্টোবর – উদ্ভাবনী প্রতিযোগিতা ও প্রদর্শনী |
| ১০. বিকশিত ভারত ২০৪৭ সংকল্প | সর্বক্ষেত্রে – ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর স্বপ্নকে সামনে রেখে পরিকল্পনা |
কলকাতা ও জেলা প্রশাসনের ভূমিকা
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই বহুমুখী আয়োজনের দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। মোট ২০ দিনজুড়ে চলবে এই আয়োজন। নবান্ন থেকে জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, কলকাতা-সহ রাজ্যের সমস্ত সরকারি ভবনে বিশেষ আলোকসজ্জার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারি ভবনগুলিতেও যাতে আলো লাগানো হয়, তার জন্য কলকাতা পুরসভাকে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করতে বলা হয়েছে।
পশ্চিমবঙ্গের মোট ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রেই আলো জ্বালানোর বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিধানসভায় কমপক্ষে ২৫ হাজার প্রদীপ জ্বালানো হবে। অর্থাৎ রাজ্যজুড়ে ওই সন্ধ্যায় ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষের উদ্যোগে ৭০ লাখের বেশি প্রদীপ জ্বলে উঠবে। নবান্ন, রাজ্য সচিবালয়, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ও কালীঘাট মন্দিরের মতো ঐতিহ্যপূর্ণ স্থানগুলো প্রদীপের আলোয় সাজিয়ে তোলা হবে।
📊 সংখ্যায় সেবা সংকল্প অভিযান:
• মোট বিধানসভা কেন্দ্র: ২৯৪টি
• প্রতিটি কেন্দ্রে প্রদীপ: ২৫,০০০+
• মোট প্রদীপ: ৭০ লাখের বেশি
• গঙ্গার ঘাটে প্রদীপ: ১ লক্ষ
• বিদ্যালয় যুক্ত: ৮০,০০০+
• সময়কাল: ১৭ সেপ্টেম্বর – ১০ অক্টোবর
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সম্পৃক্ততা
এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞে রাজ্যের ৮০ হাজারের বেশি প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়কে যুক্ত করা হয়েছে। বিধানসভাভিত্তিক শিক্ষার্থীদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে তা সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের কাছে হস্তান্তরের জন্য জেলা স্কুল পরিদর্শকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই তালিকা অনুযায়ী পড়ুয়াদের মাথাপিছু প্রদীপ বিতরণ করা হবে।
স্কুলশিক্ষা দফতরের জারি করা নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এই অভিযানের আওতায় মূলত দু’টি বড় কর্মসূচিতে ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের যোগদান নিশ্চিত করতে হবে। প্রথমটি হলো ‘২৫ কোটি শিশুর স্বপ্নের ভারত’ এবং দ্বিতীয়টি ‘নমো সেবা গাথা’। স্কুলে স্কুলে ৩০ মিনিটের সঙ্গীতনির্ভর নাটক উপস্থাপনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
নমো সেবা গাথা: নতুন প্রজন্মের কাছে বার্তা
‘নমো সেবা গাথা’ শুধু স্কুলের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না। রাজ্যের বিভিন্ন স্কুল এবং জনসমাগম হয় এমন জায়গায় জনসেবা ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্প নিয়ে ৩০ মিনিটের সঙ্গীতনির্ভর নাটক উপস্থাপন করা হবে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে সরকারি প্রকল্পের সাফল্য ও জনকল্যাণমূলক কাজের বার্তা পৌঁছে দেওয়া হবে।
কেন এই অভিযান?
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই অভিযান পালিত হচ্ছে। ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর স্বপ্নকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং সরকারি পরিষেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য। সরকারি প্রকল্পের সুবিধাভোগীদের সরাসরি সম্পৃক্ত করা, তাদের অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে সেই বার্তা পৌঁছে দেওয়া—এই তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে আছে পুরো পরিকল্পনা।
জনসচেতনতা ও অংশগ্রহণ
এই অভিযানের সবচেয়ে বড় দিক হলো সাধারণ মানুষের সরাসরি অংশগ্রহণ। শুধু সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং ‘সেবায় আমার যোগদান’ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ, বৃক্ষরোপণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো জনকল্যাণমূলক কাজে সাধারণ মানুষ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশ নিতে পারবেন। ‘সেবার কাহিনি’ কর্মসূচিতে সুবিধাভোগীরা তাঁদের অভিজ্ঞতা ভিডিও, রিল, ছবি বা লেখার মাধ্যমে জেলা প্রশাসনের কাছে জমা দিতে পারবেন।
‘সেবা ফার্স্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’-এ বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি, শিক্ষা, শিল্প-বাণিজ্য, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং ক্রীড়ার মতো নানা ক্ষেত্রে উদ্ভাবন তুলে ধরার সুযোগ থাকছে। কলকাতা এই আয়োজনের অন্যতম আঞ্চলিক কেন্দ্র হিসেবে থাকছে, যেখানে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উদ্ভাবকরা অংশ নিতে পারবেন।
সমালোচনা ও বিতর্ক
⚠️ সমালোচনা: এই আয়োজন নিয়ে কিছু সমালোচনাও উঠেছে। পূজার সময় এই আয়োজন করায় খুচরো দোকানের বিক্রি কমবে বলে মনে করছেন কিছু দোকানি। এছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের এতে শামিল করার বিষয়টিও সমালোচনার মুখে পড়েছে। তবে রাজ্য সরকারের দাবি, এই অভিযান জনসচেতনতা বাড়াতে এবং সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে।
উপসংহার
সেবা সংকল্প অভিযান ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গে একটি বড় আকারের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যজুড়ে ১০টি মূল কর্মসূচি পালিত হবে। আশীর্বাদের প্রদীপ থেকে শুরু করে সেবা ফার্স্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ পর্যন্ত—প্রতিটি কর্মসূচির লক্ষ্য সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া এবং জনসচেতনতা বাড়ানো। এই অভিযানে অংশ নিতে চাইলে আপনার নিকটস্থ জেলা প্রশাসন, পুরসভা বা ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।
সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)
প্রশ্ন ১: সেবা সংকল্প অভিযান কবে থেকে শুরু হচ্ছে?
সেবা সংকল্প অভিযান ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে শুরু হবে এবং ১০ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে।
প্রশ্ন ২: এই অভিযানে কতটি কর্মসূচি রয়েছে?
নবান্নের নির্দেশিকা অনুযায়ী, সেবা সংকল্প অভিযানে মোট ১০টি মূল কর্মসূচি রয়েছে। এর মধ্যে আশীর্বাদের প্রদীপ, আমার স্বপ্নের ভারত—চিত্র সেবা, নমো সেবা গাথা, সেবার কাহিনি, সেবায় আমার যোগদান ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
প্রশ্ন ৩: আশীর্বাদের প্রদীপ কী?
১৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় রাজ্যজুড়ে ‘আশীর্বাদের প্রদীপ’ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অভিযান শুরু হবে। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে কমপক্ষে ২৫ হাজার প্রদীপ জ্বালানো হবে এবং কলকাতার গঙ্গার ঘাটে ১ লক্ষ প্রদীপ জ্বালানো হবে।
প্রশ্ন ৪: এই অভিযানে সাধারণ মানুষ কীভাবে অংশ নিতে পারবেন?
সাধারণ মানুষ ‘সেবায় আমার যোগদান’ কর্মসূচিতে পরিবেশ, বৃক্ষরোপণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মতো কাজে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে অংশ নিতে পারবেন। এছাড়া ‘সেবার কাহিনি’ কর্মসূচিতে সুবিধাভোগীরা তাঁদের অভিজ্ঞতা জমা দিতে পারবেন। নিকটস্থ জেলা প্রশাসন, পুরসভা বা ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানা যাবে।
প্রশ্ন ৫: এই অভিযান কোন উপলক্ষে পালিত হচ্ছে?
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই অভিযান পালিত হচ্ছে। ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’-এর স্বপ্নকে সামনে রেখে রাজ্যজুড়ে জনসচেতনতা বাড়ানো এবং সরকারি পরিষেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই এর মূল উদ্দেশ্য।
প্রশ্ন ৬: সেবা ফার্স্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ কী?
৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ‘সেবা ফার্স্ট ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ’। এতে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি, শিক্ষা, শিল্প-বাণিজ্য, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং ক্রীড়ার মতো নানা ক্ষেত্রে উদ্ভাবন তুলে ধরা হবে। কলকাতা এই আয়োজনের অন্যতম আঞ্চলিক কেন্দ্র।
প্রাসঙ্গিক লিংক
গুরুত্বপূর্ণ টুলস লিংক
এই পোস্টটি শেয়ার করুন
শেয়ার বাটনে ক্লিক করলেই পোস্টটি সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার হবে।