Mid Day Meal: ইসকনের অনুমোদন বাতিল, চার জেলায় পুরনো নিয়মেই খাবার পাবে পড়ুয়ারা

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ লেখক: Deb Sarkar পড়তে ৭ মিনিট
Mid Day Meal ISKCON West Bengal

Mid Day Meal: এখনই মিড ডে মিলের দায়িত্ব আসছে না ইসকনের হাতে। রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতর এই মুহূর্তে তাদের অনুমোদন বাতিল করেছে। আগেই ঠিক হয়েছিল, হাওড়া, পুরুলিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা আর পূর্ব মেদিনীপুরে মিড ডে মিল দেবে ইসকনের অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন। কিন্তু এখন আদেশ বদলানো হয়েছে। ওই জেলাগুলোর স্কুলে যেমনভাবে এতদিন মিড ডে মিল রান্না হতো, পরিবেশন হতো, ঠিক সেই পুরনো নিয়মেই আবার সব চলবে।

স্কুল শিক্ষা দফতর এই খবর ইতিমধ্যেই জেলার দপ্তরগুলোকে জানিয়ে দিয়েছে। কলকাতায় প্রথমে মিড ডে মিল দেওয়া শুরু করে ইসকন। ওটা বেশ ভালোভাবে চলছিল। পরে প্ল্যান ছিল, রাজ্যের অন্য চার জেলায়ও ইসকন মিড ডে মিলের দায়িত্ব নেবে। সেই মতো সিদ্ধান্ত হয়েছিল, প্রস্তুতিও চলেছিল। কলকাতার কিছু স্কুলে ইসকনের অনামৃত ফাউন্ডেশন মিড ডে মিল পরিষেবা দিচ্ছিও। এরপর, হাওড়া, পুরুলিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে কার্যক্রম বাড়ানোর কথা ছিল। তার আগেই সিদ্ধান্ত বদলাল কর্তৃপক্ষ।

বিকাশ ভবন জানিয়েছে, অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশনকে দেওয়া অনুমোদন আপাতত তুলে নেওয়া হচ্ছে। ওই চার জেলায় এখন স্কুলের রান্নাঘরেই খাবার তৈরি হবে। পড়ুয়ারা যেভাবে এতদিন বসে খেত ও খাবার পেত, সেই ব্যবস্থাই থাকছে। ঠিক কী কারণে এই অনুমোদন বাতিল, সেটা স্পষ্ট করেনি কর্তৃপক্ষ। সংক্ষেপে, ইসকনের হাতে মিড ডে মিলের দায়িত্ব এই মুহূর্তে যাচ্ছে না। ফলে, ছাত্রছাত্রীরা আগের মতোই মিড ডে মিল পাবে, নতুন কোনও বদল আসছে না।

কেন বাতিল হলো ইসকনের অনুমোদন?

রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতরের যৌথ সচিব পারমিতা রায় ১১ সেপ্টেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানান, উচ্চপর্যায়ের কর্তৃপক্ষের নির্দেশানুসারে ২১ আগস্টের স্মারকলিপি প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ওই স্মারকলিপিতেই অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশনকে চার জেলায় মিড ডে মিল সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, এই নির্দেশিকার পর ওই সংস্থাকে খাবার সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়ায় আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না।

যদিও সরকারিভাবে কোনো কারণ জানানো হয়নি, তবে শিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক নাম না প্রকাশ করার শর্তে জানিয়েছেন, অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন এত বড় পরিসরে কাজ করার জন্য প্রস্তুত ছিল না। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ডিম সরবরাহের ব্যয়। রাজ্য সরকার Kolkata-এ ইসকনের নিরামিষ খাবারের সঙ্গে আলাদা করে ডিম দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এই বাড়তি খরচের কারণেই চার জেলায় অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশনকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

📋 মূল বিষয়: ২১ আগস্ট, ২০২৬-এ অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশনকে চার জেলায় মিড ডে মিল সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হয়। ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬-এ সেই অনুমোদন বাতিল করা হয়। মাত্র ২১ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত বদল।

ইসকনের বক্তব্য: আমরা আলাদা সংস্থা

এই পুরো ঘটনায় ইসকন কর্তৃপক্ষ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, তারা অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন বা অন্নামৃত ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়। ইসকনের পক্ষ থেকে একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, "অন্নামৃত ফাউন্ডেশন" এবং "অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন" — এই দুটি সংস্থার পরিচালনা পর্ষদ এবং ট্রাস্টি বোর্ড ইসকনের পরিচালনা কমিটি থেকে সম্পূর্ণভাবে আলাদা। তাদের কার্যকলাপ এবং দায়িত্বের মধ্যে কোনো মিল বা পারস্পরিক সংশ্লিষ্টতা নেই। তাই এই দুটিকে কখনোই একই সংস্থা হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না।

তবে শিক্ষা দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, ইসকন, অন্নামৃত ফাউন্ডেশন এবং অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন — এরা আলাদা হলেও সম্পর্কিত। এই সম্পর্কের কারণেই সরকার প্রথমে ইসকন-ঘনিষ্ঠ সংস্থাকে দায়িত্ব দিতে চেয়েছিল। কিন্তু পরে পরিস্থিতি বদলায়।

কলকাতায় কী হচ্ছে?

কলকাতা পুরনিগম এলাকার প্রায় ৫০০ স্কুলে অন্নামৃত ফাউন্ডেশন বর্তমানে মিড ডে মিল সরবরাহ করছে। ১ আগস্ট মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একটি যজ্ঞের মাধ্যমে নতুন খাদ্যতালিকার সূচনা করেছিলেন। সেখানে নিরামিষ খাবারের সঙ্গে সপ্তাহে দু'দিন আলাদা করে ডিম দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই ডিম সরবরাহ করে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলো।

কলকাতায় ইসকনের মেগা কিচেন থেকে ৪৪,০০০ পড়ুয়াকে খাবার দেওয়া হচ্ছে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই সংখ্যা ২.৫ লক্ষে পৌঁছবে বলে সরকারের লক্ষ্য ছিল। তবে বর্তমানে চার জেলায় অনুমোদন বাতিল হওয়ায় কলকাতার বাইরে এই পরিকল্পনা আপাতত থমকে গেছে।

সময়রেখা: কীভাবে ঘটল এই ঘটনা?

১ আগস্ট, ২০২৬
ইসকনের মেগা কিচেন উদ্বোধন
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কলকাতায় ইসকনের মেগা কিচেন উদ্বোধন করেন। কলকাতা পুরনিগম এলাকার স্কুলে মিড ডে মিল সরবরাহ শুরু হয়।
২১ আগস্ট, ২০২৬
চার জেলায় অনুমোদন
হাওড়া, পুরুলিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশনকে মিড ডে মিল সরবরাহের অনুমোদন দেওয়া হয়।
২৪ আগস্ট, ২০২৬
সম্প্রসারণের ঘোষণা
কলকাতার বাইরে চার জেলায় ইসকনের মিড ডে মিল পরিষেবা সম্প্রসারণের খবর প্রকাশ্যে আসে।
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
অনুমোদন বাতিল
স্কুল শিক্ষা দফতর ২১ আগস্টের স্মারকলিপি প্রত্যাহার করে। অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশনকে আর দায়িত্ব না দেওয়ার সিদ্ধান্ত।
১৪-১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
নতুন নির্দেশিকা জারি
চার জেলার আধিকারিকদের জানানো হয়, পুরনো নিয়মেই মিড ডে মিল রান্না ও পরিবেশন হবে।

কী বদলাবে না?

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, পড়ুয়ারা আগের মতোই মিড ডে মিল পাবে। চার জেলার স্কুলগুলোতে যেভাবে এতদিন রান্না হতো এবং পরিবেশন করা হতো, ঠিক সেই ব্যবস্থাই বহাল থাকছে। কোনো নতুন পরিবর্তন আসছে না। স্কুলের রান্নাঘরেই খাবার তৈরি হবে এবং পড়ুয়ারা বসে খাবে।

এটি নিশ্চিত করা হয়েছে যে খাবারের গুণমান এবং পুষ্টিমান আগের মতোই থাকবে। সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি পড়ুয়ার জন্য বরাদ্দও বজায় থাকবে।

✅ পড়ুয়াদের জন্য সুখবর: মিড ডে মিল বন্ধ হচ্ছে না। চার জেলার স্কুলগুলোতে আগের মতোই খাবার তৈরি ও পরিবেশন করা হবে। কোনো বিলম্ব বা ব্যাঘাত হবে না।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

এই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কুণাল ঘোষ প্রথম থেকেই ইসকনকে মিড ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়ার বিরোধিতা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ইসকন একটি ধর্মীয় সংস্থা, তাদের হাতে সরকারি স্কুলের মিড ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়া ঠিক হবে না।

অন্যদিকে, বিজেপি সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্ত খরচের কারণে নেওয়া হয়েছে। নিরামিষ খাবারের সঙ্গে আলাদা ডিম সরবরাহের বাড়তি খরচ সামলানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। সেই কারণেই চার জেলায় অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশনকে দায়িত্ব না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আইনি জটিলতা

মিড ডে মিলের দায়িত্ব ইসকনের হাতে তুলে দেওয়ার বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। এই মামলার প্রেক্ষিতে ইসকনের পক্ষ থেকে মামলাকারীকে একটি চিঠি পাঠিয়ে বলা হয় যে তারা কোনোভাবে মিড ডে মিল বিতরণের কাজের সঙ্গে যুক্ত নয়। ইসকনের এই স্পষ্টীকরণের পর আইনি জটিলতা কিছুটা কমেছে।

ভবিষ্যতে কী হতে পারে?

আপাতত চার জেলায় ইসকনের মিড ডে মিল কার্যক্রম বন্ধ থাকছে। তবে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। কলকাতায় ইসকনের মিড ডে মিল পরিষেবা বর্তমানে চালু আছে এবং সেটি সফলভাবে চলছে। যদি কলকাতার মডেল সফল হয় এবং খরচ নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তাহলে ভবিষ্যতে আবার চার জেলায় ইসকনের দায়িত্ব নেওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তবে আপাতত স্কুল শিক্ষা দফতরের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট — চার জেলায় পুরনো ব্যবস্থাই বহাল থাকবে। পড়ুয়ারা আগের মতোই খাবার পাবে এবং কোনো নতুন ব্যবস্থা চালু হচ্ছে না।

"মিড ডে মিল প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো পড়ুয়াদের পুষ্টি নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহ বাড়ানো। যে ব্যবস্থাতেই হোক, এই লক্ষ্য যেন বিঘ্নিত না হয়, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।"
— Deb Sarkar

উপসংহার

মিড ডে মিল নিয়ে রাজ্যের এই সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ইসকনের অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশনকে চার জেলায় মিড ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সরকারিভাবে কারণ জানানো না হলেও, খরচ এবং প্রস্তুতির অভাবকেই প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পড়ুয়াদের জন্য এই সিদ্ধান্ত কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না। তারা আগের মতোই মিড ডে মিল পাবে, শুধু প্রস্তুতকারী সংস্থা বদলাবে না। চার জেলার স্কুলগুলোতে পুরনো ব্যবস্থাতেই খাবার তৈরি ও পরিবেশন হবে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই স্বাগত জানিয়েছেন, কারণ এতে পড়ুয়াদের খাবারে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন ১: ইসকনের মিড ডে মিলের অনুমোদন কেন বাতিল করা হয়েছে?

সরকারিভাবে কারণ জানানো হয়নি। তবে শিক্ষা দফতরের সূত্র অনুযায়ী, অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন বড় পরিসরে কাজ করার জন্য প্রস্তুত ছিল না। এছাড়া নিরামিষ খাবারের সঙ্গে আলাদা ডিম সরবরাহের বাড়তি খরচও একটি কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রশ্ন ২: কোন জেলাগুলোতে ইসকনের মিড ডে মিলের অনুমোদন বাতিল হয়েছে?

হাওড়া, পুরুলিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুর — এই চার জেলায় অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশনকে মিড ডে মিল সরবরাহের অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে।

প্রশ্ন ৩: এখন পড়ুয়ারা কীভাবে মিড ডে মিল পাবে?

পড়ুয়ারা আগের মতোই মিড ডে মিল পাবে। চার জেলার স্কুলগুলোতে পুরনো নিয়মেই রান্না ও পরিবেশন করা হবে। স্কুলের রান্নাঘরেই খাবার তৈরি হবে।

প্রশ্ন ৪: কলকাতায় ইসকনের মিড ডে মিল চলবে কি?

হ্যাঁ, কলকাতা পুরনিগম এলাকায় অন্নামৃত ফাউন্ডেশন বর্তমানে প্রায় ৫০০ স্কুলে মিড ডে মিল সরবরাহ করছে। সেখানে কোনো পরিবর্তন হয়নি। শুধু চার জেলায় অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশনের অনুমোদন বাতিল হয়েছে।

প্রশ্ন ৫: ইসকন কি অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত?

ইসকনের দাবি, তারা অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন বা অন্নামৃত ফাউন্ডেশনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়। দুটি সংস্থার পরিচালনা পর্ষদ ইসকনের পরিচালনা কমিটি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।

প্রশ্ন ৬: এই সিদ্ধান্তের ফলে মিড ডে মিল বন্ধ হবে কি?

না, মিড ডে মিল বন্ধ হবে না। পড়ুয়ারা আগের মতোই খাবার পাবে। শুধু প্রস্তুতকারী সংস্থা বদলাচ্ছে না — পুরনো ব্যবস্থাই বহাল থাকছে।

গুরুত্বপূর্ণ টুলস লিংক

AC Electricity Cost Calculator AI Prompt Cost Calculator DA Arrear Calculator EV Charging Cost Calculator EV vs Petrol Savings Calculator FAQ Schema Generator Gemini API Cost Calculator Instagram DP Viewer Property Registration Calculator Slug Generator Solar Savings Calculator Water Tank Capacity Calculator WhatsApp Chat Link Generator YouTube Thumbnail Downloader Internet Speed Test

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

শেয়ার বাটনে ক্লিক করলেই পোস্টটি সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার হবে।

Deb Sarkar

লেখক: Deb Sarkar

Deb Sarkar পশ্চিমবঙ্গের সরকারি প্রকল্প, কেন্দ্রীয় সরকারি স্কিম, ডিজিটাল টুল, শিক্ষা সংক্রান্ত খবর ও প্রযুক্তি বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। তিনি বিভিন্ন সরকারি বিজ্ঞপ্তি, অফিসিয়াল পোর্টাল এবং নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করে পাঠকদের কাছে সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেন।

✓ Fact Checked Content ✓ Government Schemes Expert ✓ Updated Information