WB Kanyaratna Scheme 2026– কন্যাশ্রীর নতুন নাম, সুবিধা ও যোগ্যতা

৩১ জুলাই, ২০২৬ লেখক: Deb Sarkar পড়তে ৫ মিনিট কন্যাশ্রী→কন্যারত্ন
WB Kanyaratna Scheme

WB Kanyaratna Scheme: ছাত্রীদের জন্য নতুন চমক! সরকার এবার 'কন্যারত্ন' নামে নতুন প্রকল্প চালু করছে। আগের 'কন্যাশ্রী' প্রকল্পটা নাম বদলে চলবে—আর সুবিধাও ঠিক আগের মতোই। K1 আর K2 ক্যাটাগরিতে মেয়েরা এখনো ১,০০০ টাকা প্রতি বছর আর ২৫,০০০ টাকা এককালীন পাবেন।

কন্যারত্ন – যোগ্যতা ও সুবিধা চেকার

আপনি K1 বা K2 কোন ক্যাটাগরিতে পড়েন? যোগ্যতা যাচাই করে দেখুন।

শুধু রাজ্যের বাসিন্দারাই যোগ্য
শুধু মেয়েরা আবেদন করতে পারে
১৩-১৮ (K1), ১৮-১৯ (K2)
অষ্টম থেকে দ্বাদশ বা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ
এককালীন অনুদানের জন্য অবিবাহিত থাকতে হবে
সাধারণত ₹১.২ লক্ষের কম হতে হবে
বিশেষ ক্যাটেগরিতে আয়ের সীমা প্রযোজ্য নয়
📚
K1 – বার্ষিক বৃত্তি
₹১,০০০/বছর
১৩-১৮ বছর, ৮ম-১২শ শ্রেণি
💰
K2 – এককালীন অনুদান
₹২৫,০০০
১৮ বছর, অবিবাহিত, HS পাশ
📢 'কন্যারত্ন দিবস' – ১৪ অগাস্ট ২০২৬
--
নতুন নামে প্রথম বড় অনুষ্ঠান
যোগ্যতা ফলাফল
--
যোগ্য ক্যাটাগরি
--
সুবিধার পরিমাণ
--
পরবর্তী করণীয়
--
👧 আপনার যোগ্যতা যাচাই করুন
উপরের তথ্য দিয়ে যাচাই করুন ও সুবিধা সম্পর্কে জানুন
এটি একটি আনুমানিক যোগ্যতা যাচাই টুল। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারি যাচাই-বাছাইয়ের ওপর নির্ভরশীল।

নতুন সরকার আসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একবারে পরিষ্কার বলেছেন—পুরনো সমাজকল্যাণ প্রকল্পগুলো বন্ধ হবে না, বরং একটু নতুন নামে চলবে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি ঘোষণা করলেন—'কন্যাশ্রী' প্রকল্প এখন 'কন্যারত্ন' আর স্কুলে সাইকেল দেওয়া 'সবুজসাথী' এখন 'সারথি' প্রকল্প।

বড় ঘোষণা: নাম বদলালেও টাকা কম হচ্ছে না। আগের নিয়মেই দুই ভাগে টাকা পাওয়া যাবে:

কন্যারত্ন প্রকল্পের সুবিধা ও অনুদান

📚
K1 Category
₹১,০০০/বছর
১৩-১৮ বছর
অষ্টম-দ্বাদশ শ্রেণি
💰
K2 Category
₹২৫,০০০
১৮ বছর, অবিবাহিত
উচ্চ মাধ্যমিক পাশ
  • K1 Category: ১৩ থেকে ১৮ বছরের অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রীরা বছরে ১,০০০ টাকা স্কলারশিপ পাবে।
  • K2 Category: ১৮ বছর বয়সে অবিবাহিত ছাত্রী যদি উচ্চ মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষায় পাশ করে, একবারে ২৫,০০০ টাকা অনুদান মিলবে।

গুরুত্বপূর্ণ: প্রতি বছর ১৪ আগস্ট 'কন্যাশ্রী দিবস' পালনের বদলে এবার হবে 'কন্যারত্ন দিবস'। মানে, সুবিধাগুলোর কোনো বদল নেই। শুধু নাম পাল্টে গেল। ছাত্রীরা আগের মতোই টাকা আর সুযোগ পাবে।

যোগ্যতার শর্তাবলী

এই আর্থিক সহায়তা পেতে গেলে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। রাজ্য সরকারের কথা অনুযায়ী, এখানে কী কী লাগবে—

  • বাসস্থান: যাকে আবেদন করতে হবে, সে পশ্চিমবঙ্গেই থাকতে হবে—স্থায়ীভাবে।
  • আয়: পরিবারের বেশি টাকা থাকতে চলবে না। বছরে আয় ১ লক্ষ ২০ হাজারের মধ্যে থাকতে হবে।
  • স্কুল: আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গ সরকার স্বীকৃত সরকারি কিংবা সরকার-পোষিত স্কুলে পড়তে হবে।
  • বয়স: K1 বিভাগে, বয়স ১৩ থেকে ১৮; আর K2 বিভাগে ১৮ বছরের ওপর—এবং হতে হবে অবিবাহিত

গুরুত্বপূর্ণ: আবেদন করার সময় সব তথ্য সঠিকভাবে দেওয়া আবশ্যক। ভুল তথ্য দিলে বা নথিতে গরমিল থাকলে আবেদন বাতিল হতে পারে।

আবেদনের পদ্ধতি

আগে স্কুলের হাত ধরে ফর্ম নেওয়া, জমা দেওয়া যেত। এখন নতুন সরকার, নতুন নিয়ম—Kanyaratna Application Process আসছে। কীভাবে করতে হবে, পোর্টাল কেমন হবে—সব কিছু সরকারীভাবে ঘোষণা হবে খুব তাড়াতাড়ি।

আপডেট: নতুন আবেদন পদ্ধতি শীঘ্রই চালু হবে। স্কুল/কলেজ ও সরকারি পোর্টালে নোটিফিকেশন দেখতে থাকুন।

প্রয়োজনীয় নথিপত্র

যেসব কাগজপত্র লাগবে—ছাত্রীর জন্ম সনদ, পরিবারের আয় সংক্রান্ত প্রমাণ, ব্যাংকের পাসবইয়ের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজ ছবি আর ঠিকানার প্রমাণ—এগুলো আগে থেকে গুছিয়ে রাখতে বলছে কর্তৃপক্ষ।

  • জন্ম শংসাপত্র (বয়স প্রমাণ)
  • আয়ের শংসাপত্র (₹১.২ লক্ষের কম)
  • ব্যাংক পাসবুকের ফটোকপি (ছাত্রীর নিজের নামে অ্যাকাউন্ট)
  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • ঠিকানার প্রমাণ (রেশন কার্ড/বিদ্যুৎ বিল)
  • আধার কার্ড
  • বিশেষ ক্যাটেগরির জন্য প্রাসঙ্গিক সার্টিফিকেট (প্রতিবন্ধী, অনাথ ইত্যাদি)

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন ১: কন্যাশ্রীর নতুন নাম কী?

কন্যাশ্রী এখন 'কন্যারত্ন' নামে পরিচিত হবে। নাম বদলেছে, কিন্তু সুবিধা আগের মতোই থাকছে।

প্রশ্ন ২: K1 ও K2 ক্যাটাগরিতে কী সুবিধা?

K1: ১৩-১৮ বছর, ৮ম-১২শ শ্রেণির ছাত্রীরা ₹১,০০০/বছর পাবেন।
K2: ১৮ বছর, অবিবাহিত, HS পাশ করলে ₹২৫,০০০ এককালীন পাবেন।

প্রশ্ন ৩: আবেদন কোথায় করব?

শীঘ্রই অনলাইন পোর্টাল চালু হবে। এখনো পর্যন্ত স্কুলের মাধ্যমেই আবেদন করতে হবে।

প্রশ্ন ৪: আয়ের সীমা কত?

পরিবারের বার্ষিক আয় ₹১,২০,০০০-এর কম হতে হবে। তবে প্রতিবন্ধী, অনাথ ও জুভেনাইল হোমের ছাত্রীদের জন্য এই শর্ত প্রযোজ্য নয়।

প্রশ্ন ৫: 'কন্যারত্ন দিবস' কবে?

১৪ অগস্ট 'কন্যারত্ন দিবস' হিসেবে পালিত হবে। এই দিনে নতুন স্কিমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে।

প্রশ্ন ৬: আবেদনের জন্য কী কী নথি লাগে?

জন্ম সনদ, আয়ের শংসাপত্র, ব্যাংক পাসবুকের কপি, পাসপোর্ট সাইজ ছবি, ঠিকানার প্রমাণ ও আধার কার্ড লাগবে।

প্রশ্ন ৭: স্কুলের ধরণ সম্পর্কে কী?

আবেদনকারীকে পশ্চিমবঙ্গ সরকার স্বীকৃত সরকারি বা সরকার-পোষিত স্কুলে পড়তে হবে।

প্রশ্ন ৮: সুবিধার পরিমাণ কি আগের মতোই থাকবে?

হ্যাঁ, নাম পরিবর্তন হলেও সুবিধার পরিমাণ ও নিয়ম আগের মতোই থাকছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

শেয়ার বাটনে ক্লিক করলেই সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট শেয়ার হবে।

Deb Sarkar

লেখক: Deb Sarkar

Deb Sarkar পশ্চিমবঙ্গের সরকারি প্রকল্প, কেন্দ্রীয় সরকারি স্কিম, শিক্ষা ও ডিজিটাল পরিষেবা বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। তিনি বিভিন্ন সরকারি বিজ্ঞপ্তি, অফিসিয়াল পোর্টাল এবং নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করে পাঠকদের কাছে সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেন।

✓ Fact Checked Content ✓ Education & Welfare Researcher ✓ Updated Information