️ Vishwakarma Yojana: পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার ২০২৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বরের বিশেষ কর্মসূচি ও সেবা সংকল্প অভিযান

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ লেখক: Deb Sarkar পড়তে ১০ মিনিট
PM Vishwakarma Yojana 2026

Vishwakarma Yojana: পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার ২০২৬ সালে ১৭ সেপ্টেম্বর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মদিনে দেশজুড়ে একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে জমজমাট পরিবেশ। বিজেপি-র তরফেও মাসজুড়ে 'সেবা সংকল্প অভিযান' শুরু হয়েছে। এর সবচেয়ে নজরকাড়া উদ্যোগ—ভডনগর থেকে বারাণসী পর্যন্ত বাইক যাত্রা, যেটার সূচনা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

ভডনগর—মোদীর জন্মস্থান, আর বারাণসী—তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্র। দু'টি শহরই মোদীর জীবনের দুই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে যুক্ত করে। জন্মদিনের দিন ভডনগর থেকে যাত্রা শুরু, একইসঙ্গে বারাণসী থেকেও আরেকটি বাইক র‍্যালি রওনা দিল ভডনগরের দিকে। স্রেফ রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে পরিচ্ছন্নতা, বৃক্ষরোপণ, সমাজসচেতনতা গড়ার নানা লক্ষ্য।

বাইক যাত্রার পিছনে আছে প্রতীকি গুরুত্বও। আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, শুধু দুই শহর নয়—দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যুবক-যুবতীদের বার্তা দেওয়া হচ্ছে জনসেবা আর সামাজিক দায়িত্বের। জার্নিটা ১০টি রাজ্য, ১৯৩টি জেলা, ১১৪০-র বেশি গ্রামের উপর দিয়ে যাবে বলে জানানো হয়েছে। রিপোর্ট বলছে, মোট ৬০০ বাইকার কনভয়ের দুইপ্রান্ত মিলিয়ে অংশ নিচ্ছেন।

সেবা সংকল্প অভিযানের মূল লক্ষ্য

কর্মসূচিটা এখানেই শেষ নয়, মাসজুড়ে দক্ষতার সঙ্গে গড়ে তোলা হয়েছে জল সংরক্ষণ, প্লাস্টিক বর্জন, মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন, গাছ লাগানো, TB-রোধে সচেতনতা—এইসবের কারিকুরি। বাইক যাত্রায় যারা আছেন, তাঁদের প্রত্যেকের লক্ষ্য প্রতিদিন ২৫টি করে গাছের পরিচর্যা বা রোপণ। পরিবেশভাবনা পেছনে নয়।

আরও একটা বিশেষ রীতির উল্লেখ আছে—গুজরাট আর উত্তরপ্রদেশের নানা নদী থেকে জল এনে ভডনগরের হাটকেশ্বর মহাদেব মন্দির আর বারাণসীর কাশী বিশ্বনাথ ধামে জলাভিষেকে ব্যবহার করা। এই রীতি জন্মস্থান আর কর্মক্ষেত্রের মাঝে এক ধরনের প্রতীকী সংযোগ তৈরি করে।

বারাণসীতেও পাল্লা দিয়ে বড়সড় আয়োজন—ডিফেন্স মিনিস্টার রাজনাথ সিং, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, স্থানীয় স্তরের গুচ্ছ নেতা উপস্থিত। জন্মদিন মানে শুধু রাজনীতি নয়, সংগঠনিক-সামাজিক দিক থেকেও আলাদা গুরুত্ব।

📊 সংখ্যায় সেবা সংকল্প অভিযান:
• মোট রাজ্য: ১০টি
• মোট জেলা: ১৯৩টি
• মোট গ্রাম: ১১৪০+
• বাইকার সংখ্যা: ৬০০
• প্রতিদিন গাছ রোপণ: ২৫টি (প্রতি বাইকার)
• সময়কাল: ১৭ সেপ্টেম্বর – ১৭ অক্টোবর

পশ্চিমবঙ্গে সেবা সংকল্প অভিযান

এদিকে পশ্চিমবঙ্গেও ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর মাসজুড়ে 'সেবা সংকল্প অভিযান'। পরিচ্ছন্নতা, নদী ও জলাশয় সংরক্ষণ, বর্জ্য আলাদা করা, সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো, "সেবা সেতু" নামে শিবির—সরকারি প্রকল্পে সাহায্যের উদ্যোগ, সবই চলছে রাজ্য বিজেপি-র প্ল্যানমতো। ওই দিন পশ্চিমবঙ্গজুড়ে অন্নপূর্ণা যোজনার নিয়েও ব্যপক আলোচনা—ভিড়েছেন বিশাল সংখ্যক মহিলা উপভোক্তার কাছে আর্থিক সহায়তা। কলকাতায় তো আবার PM Vishwakarma প্রকল্পের বর্ষপূর্তি—প্রায় ২ লক্ষ কারিগর-শিল্পীদের জন্য নানা পরিষেবা।

জেলাস্তরে অন্য ছবিও আছে—ঝাড়গ্রামে আদিবাসী অনুষ্ঠান, মিষ্টি, ফল বিতরণ, হাসপাতালের রোগীদের জন্য বিশেষ আয়োজন। ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজেও ফল বিতরণ হয়েছে।

বিজেপি-র পরিকল্পনা এখানে থেমে নেই—মাসজুড়ে প্রদর্শনী, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, প্রদীপ জ্বালানোর মতো কর্মসূচি সামনে এসেছে। 'আশীর্বাদ কা দিয়া' নামে প্রদীপ প্রজ্বলনের আয়োজন, দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চাইছে উৎসবের চেহারায়।

বিশ্বকর্মা যোজনার বার্ষিকী উদযাপন

রাজ্যে শুরু হয়েছে বিশ্বকর্মা যোজনা, আর এর বার্ষিকী উপলক্ষে ধনধান্য অডিটোরিয়ামে জমকালো অনুষ্ঠান হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী আর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের উপস্থিতিতে শুধু সুবিধাভোগীরা সরাসরি সাহায্য পাচ্ছেন না, তাঁদের বানানো জিনিসের প্রদর্শনী আর বিক্রিরও ব্যবস্থা হয়েছে। একটা ভালো সুযোগ, কারণ এখানে কারিগররা নিজেদের কাজ তুলে ধরতে পারবেন আরও বড় পরিসরে।

কারা সুবিধা পাবেন: ১৮টি ঐতিহ্যবাহী পেশা

বিশ্বকর্মা যোজনায় কারা সুযোগ পাবেন? এখানে মোট ১৮ রকমের পুরনো, ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষদের জন্য এই স্কিম। কাঠমিস্ত্রি, কামার, কুমোর—এদের মতো কারিগররা আধুনিক সরঞ্জাম, দক্ষতা বাড়ানোর প্রশিক্ষণ, আর সহজে ঋণ নিতে পারবেন। যেটা আরও ভালো—এখন ডিজিটাল লেনদেন শেখার সুযোগও দিচ্ছে সরকার। মানে শুধু পণ্য তৈরি নয়, বাজারজাত করার দিকেও গুরুত্ব পাচ্ছে।

১৮টি ঐতিহ্যবাহী পেশার তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

PM বিশ্বকর্মা যোজনায় ১৮টি পেশা
১. কাঠমিস্ত্রি (Carpenter)১০. রাজমিস্ত্রি (Mason)
২. নৌকা নির্মাতা (Boat Maker)১১. ঝুড়ি/ম্যাট/ব্রুম নির্মাতা
৩. তালা/চাবি নির্মাতা১২. দর্জি (Tailor)
৪. গাড়ি/রিকশা নির্মাতা১৩. জুতা/চপ্পল নির্মাতা
৫. কামার (Blacksmith)১৪. গয়না নির্মাতা (Goldsmith)
৬. হাতিয়ার নির্মাতা১৫. কুমোর (Potter)
৭. হাতি-দাঁত/কাঠ খোদাইকারী১৬. ভাস্কর/পাথর খোদাইকারী
৮. মুচি/চর্মকার১৭. হেয়ার ড্রেসার/বারবার
৯. মিষ্টি/পাপড় নির্মাতা১৮. খেলনা নির্মাতা

নারীদের জন্যও সুবিধা

নারীদের জন্যও সুবিধা আছে। সেই ১৮টা পেশার যে-কোনও একটার সঙ্গে যুক্ত মহিলারা দক্ষতা বাড়ানোর ট্রেনিং পাবেন, দরকারে সরঞ্জাম, ঋণ, কিংবা বিপণনের সহায়তাও মিলবে। বাণিজ্যিকভাবে চলতে গেলে ডিজিটাল পেমেন্টও জরুরি, সেই কারণেই আলাদা ট্রেনিং থাকছে।

যোজনার মূল সুবিধা

  • দক্ষতা প্রশিক্ষণ: প্রতিটি পরিবার থেকে একজনকে ৫-৭ দিনের বেসিক ট্রেনিং দেওয়া হয়, যার জন্য ৫০০ টাকা করে দেওয়া হয়।
  • উন্নত প্রশিক্ষণ: ১৫ দিন বা তার বেশি সময়ের অ্যাডভান্সড ট্রেনিং, প্রতিদিন ৫০০ টাকা ভাতা সহ।
  • টুলকিট সহায়তা: ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত টুলকিট বাবদ অনুদান।
  • ঋণ সুবিধা: ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত প্রথম ঋণ, ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দ্বিতীয় ঋণ। মাত্র ৫% সুদে।
  • ডিজিটাল লেনদেন: ডিজিটাল পেমেন্ট শেখার সুযোগ।
  • বাজার সংযোগ: পণ্য বিক্রির জন্য অনলাইন মার্কেটপ্লেসে যুক্ত হওয়ার সুযোগ।
  • ব্র্যান্ডিং ও বিপণন: নিজের পণ্যের ব্র্যান্ডিং ও বিপণনে সহায়তা।

✅ সাফল্যের পরিসংখ্যান: গত তিন বছরে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ এই প্রকল্পে নাম লিখিয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ২৪ লাখ ৫০ হাজার মানুষ প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে শুধু ঋণ অনুমোদন হয়েছে প্রায় ৫.৮২ কোটি টাকা

পশ্চিমবঙ্গে যোজনার প্রভাব

গোটা দেশের হিসেবে যোজনাটি যে সফল, তা সংখ্যাই বলে দেয়। পশ্চিমবঙ্গে বাংলার পুরনো পেশাদারদের সম্মান ফিরিয়ে দিচ্ছে এই প্রকল্প। শুধু আর্থিক সাহায্য নয়, আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা—পেশাগুলোকেও সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সরকার।

বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় এই প্রকল্পের প্রভাব ব্যাপক। যেখানে বহু কারিগর পুরনো পদ্ধতিতে কাজ করছিলেন, সেখানে আধুনিক সরঞ্জাম ও দক্ষতার প্রশিক্ষণ তাদের আয় বাড়াতে সাহায্য করছে। অনেক মহিলা কারিগরও এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে স্বনির্ভর হয়ে উঠেছেন।

"এই প্রকল্প শুধু আর্থিক সহায়তা নয়—এটি বাংলার পুরনো পেশাদারদের সম্মান ফিরিয়ে দেওয়ার একটি বড় পদক্ষেপ। কারিগররা এখন আধুনিক সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ পেয়ে নিজেদের পণ্যকে আরও ভালোভাবে বাজারজাত করতে পারছেন।"
— Deb Sarkar

কীভাবে আবেদন করবেন?

পিএম বিশ্বকর্মা যোজনায় আবেদন করার জন্য নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে:

  1. নিকটস্থ CSC (Common Service Centre) বা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে যান।
  2. আধার কার্ড, ব্যাংক পাসবই, মোবাইল নম্বর সহ প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে যান।
  3. অনলাইনে pmvishwakarma.gov.in ওয়েবসাইটে রেজিস্ট্রেশন করুন।
  4. গ্রাম পঞ্চায়েত/পৌরসভা স্তরে যাচাই করা হবে।
  5. যাচাই শেষে জেলা স্তরে অনুমোদন দেওয়া হবে।
  6. অনুমোদন পেলে সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা চলে যাবে।

⚠️ সাবধান: যোজনায় আবেদনের জন্য কোনো দালাল বা মধ্যস্বত্বভোগীর প্রয়োজন নেই। সরাসরি সরকারি ওয়েবসাইটে বা CSC-তে গিয়ে আবেদন করুন। কোনো টাকা লাগে না।

উপসংহার

২০২৬-র ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী মোদীর জন্মদিন কেন্দ্র করেই শুরু হওয়া এই কর্মসূচিগুলো রাজনৈতিক গুরুত্ব নিশ্চয়ই রাখে, কিন্তু আয়োজকদের দাবি—মূল বিষয়, পরিষেবা, স্বচ্ছতা, পরিবেশরক্ষা, নেশামুক্তি আর সমাজের সঙ্গে বাস্তব যোগাযোগ। অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা বা আয়োজনের স্কেল, সবটুকুর খতিয়ান আপডেটের সঙ্গে পাল্টাতে পারে, কিন্তু জন্মদিনকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে রাজনৈতিক-সামাজিক সুর গতানুগতিক ছাপিয়ে এবার বেশি জোরালো।

ভবিষ্যতে এই প্রকল্প আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা যায়। আরও বেশি কারিগর উপকৃত হবেন এবং তাঁদের পণ্য দেশ-বিদেশে পৌঁছবে। এই প্রকল্প শুধু একটি সরকারি স্কিম নয়—এটি বাংলার ঐতিহ্যবাহী কারিগরি পেশাকে বাঁচিয়ে রাখার একটি বড় প্রচেষ্টা।

সাধারণ জিজ্ঞাসা (FAQ)

প্রশ্ন ১: PM বিশ্বকর্মা যোজনা কী?

PM বিশ্বকর্মা যোজনা হলো ভারত সরকারের একটি প্রকল্প, যেখানে ১৮টি ঐতিহ্যবাহী পেশার কারিগরদের আর্থিক সহায়তা, দক্ষতা প্রশিক্ষণ, টুলকিট ও ঋণ সুবিধা দেওয়া হয়।

প্রশ্ন ২: কারা এই যোজনার সুবিধা পাবেন?

কাঠমিস্ত্রি, কামার, কুমোর, দর্জি, জুতা নির্মাতা, গয়না নির্মাতা—এই ১৮টি ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা এই যোজনার সুবিধা পাবেন। নারী-পুরুষ উভয়েই আবেদন করতে পারবেন।

প্রশ্ন ৩: ঋণের সুদের হার কত?

প্রথম ঋণ ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় ঋণ ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত, মাত্র ৫% সুদে। এর জন্য তিন বছর পর্যন্ত পরিশোধের সময় পাওয়া যায়।

প্রশ্ন ৪: আবেদন করতে কী কী নথি লাগবে?

আধার কার্ড, ব্যাংক পাসবই, মোবাইল নম্বর এবং পেশার প্রমাণপত্র (যেমন কোনো নির্দিষ্ট কারিগরি কাজের সনদ)। এছাড়া পাসপোর্ট সাইজ ছবি লাগবে।

প্রশ্ন ৫: এই যোজনায় কত টাকা ট্রেনিং ভাতা পাওয়া যায়?

বেসিক ট্রেনিংয়ে ৫০০ টাকা করে দেওয়া হয়। অ্যাডভান্সড ট্রেনিংয়ে প্রতিদিন ৫০০ টাকা হারে ভাতা পাওয়া যায়। এছাড়া ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত টুলকিট সহায়তা দেওয়া হয়।

প্রশ্ন ৬: সেবা সংকল্প অভিযান কী?

সেবা সংকল্প অভিযান হলো বিজেপি-র তরফে ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত চলা একটি সামাজিক কর্মসূচি। এতে পরিচ্ছন্নতা, বৃক্ষরোপণ, জল সংরক্ষণ, মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন ইত্যাদি কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত।

গুরুত্বপূর্ণ টুলস লিংক

AC Electricity Cost Calculator AI Prompt Cost Calculator DA Arrear Calculator EV Charging Cost Calculator EV vs Petrol Savings Calculator FAQ Schema Generator Gemini API Cost Calculator Instagram DP Viewer Property Registration Calculator Slug Generator Solar Savings Calculator Water Tank Capacity Calculator WhatsApp Chat Link Generator YouTube Thumbnail Downloader Internet Speed Test

এই পোস্টটি শেয়ার করুন

শেয়ার বাটনে ক্লিক করলেই পোস্টটি সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার হবে।

Deb Sarkar

লেখক: Deb Sarkar

Deb Sarkar পশ্চিমবঙ্গের সরকারি প্রকল্প, কেন্দ্রীয় সরকারি স্কিম, ডিজিটাল টুল, কারিগরি প্রকল্প ও প্রযুক্তি বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখালেখি করেন। তিনি বিভিন্ন সরকারি বিজ্ঞপ্তি, অফিসিয়াল পোর্টাল এবং নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করে পাঠকদের কাছে সহজ ভাষায় উপস্থাপন করেন।

✓ Fact Checked Content ✓ Government Schemes Expert ✓ Updated Information