Barrackpore metro stations: ১৬ বছর পর ব্যারাকপুরে মেট্রোর আশা! জানুন কবে চালু হবে পিঙ্ক লাইন
Barrackpore Metro latest news: ব্যারাকপুরে মেট্রো কবে থেকে চালু হবে? এত বছর ধরে মানুষ যে অপেক্ষা করছিল, তাতে এখন সত্যিই খানিক আশার আলো দেখা যাচ্ছে। বরানগর–ব্যারাকপুর Pink Line নিয়ে প্রায় ১৬ বছর ধরে টানাপোড়েন চলেছে, অবশেষে কলকাতা পুরনিগম থেকে NOC (অনাপত্তি সনদ) এসেছে। ফল? এখন আর কাগজের ফাইল ঘাঁটাঘাঁটি নয়, কাজ এগোতে চলেছে।
মেট্রো এলেই কী পরদিন থেকেই ব্যারাকপুরে ঝকঝকে ট্রেন ছুটবে? একদম না। এই NOC সেই বহু কাঙ্খিত একটা গিঁট খুলেছে ঠিকই, তবু এখনও tender, utility shifting, construction—নিরন্তর ধাপ পেরোতে হবে। নতুন tender অনুযায়ী, viaduct আর ১০টা elevated station বানাতে প্রায় ১৫৮৭ কোটি টাকার কাজ, আর সময় দেওয়া হয়েছে ৪২ মাস। অর্থাৎ, এখনো রাস্তাটা অনেকটাই বাকি।
বড় খবর: কলকাতা পুরসভা থেকে NOC পাওয়ার পর প্রকল্পটি আবার গতি পেয়েছে। ১৬ বছরের দীর্ঘ অপেক্ষার পর এই সিদ্ধান্ত এলাকার মানুষের জন্য স্বস্তি বয়ে এনেছে।
Barrackpore Metro latest news: ১৬ বছর আটকে ছিল কেন?
এই জায়গাতেই আসল গল্পটা লুকিয়ে আছে। ২০১০-১১ সালের দিকে বরানগর–ব্যারাকপুর মেট্রো প্রকল্প অনুমোদিত হয়। পরের বছর, মানে ২০১১-তে মেট্রো রেলওয়ে, আরভিএনএল আর কলকাতা পুরসভা মিলে একটা এমওইউ সই করে, যেখানে ঠিক হয় যে বিটি রোডের নীচে থাকা পুরনো জল সরবরাহের পাইপলাইন সরিয়ে, সেখানে নতুন ৬৪ ইঞ্চির পাইপ বসানো হবে। সরকারি কাগজপত্র বলছে, পাইপলাইন সরানোর কাজটা ২০১২ সালেই মিটে যায়। কিন্তু প্রয়োজনীয় এনওসি (NOC) না মেলায়, সেখানেই আটকে যায় পুরো প্রকল্প।
প্রকল্প এতটা সময় আটকে ছিল কেন? আসলে মূল সমস্যা ছিল BT Road-এর নীচ দিয়ে যাওয়া বিশাল পানীয় জলের পাইপলাইন। এই পুরনো ৪৮ ইঞ্চির পাইপলাইন বন্ধ করে এখন ৭২ ইঞ্চির নতুন পাইপ বসানোর পরিকল্পনা হয়েছে। ডেস্কে ফাইল আবার মাঠে গিয়ে কাজ শরু হবে, সেই পথটা অবশেষে পরিষ্কার হলো। এতে শহরের পানীয় জল সরবরাহও সমস্যায় পড়বে না, আর মেট্রোর কাজও এগোবে।
বিপত্তি শুধু মেট্রোর পিলার বসানো নিয়ে ছিল না: বড় প্রশ্ন ছিল—যদি পাইপ সরাতে গিয়ে শহরের জল সরবরাহে কোনো সমস্যা হয়, তখন দায় কে নেবে? এই উত্তর না মেলায় সব আটকে ছিল।
সংগতি এল কীভাবে?
এই বছর, ২০২৬-এ, নতুন করে আলোচনায় বসেন মেট্রো আর কলকাতা পুরসভার বড়কর্তারা। মে মাসে একটা উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়। তখন থেকেই টেকনিক্যাল সম্ভাবনাগুলো খতিয়ে দেখা শুরু হয় আর আইআইটি খড়গপুরকে প্রাথমিক পর্যবেক্ষণের কাজ দেওয়া হয়।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরনো ৪৮ ইঞ্চির পাইপলাইন বন্ধ করে আরও বড়, মানে ৭২ ইঞ্চির পাইপ বসানোর প্রস্তাব এসেছে। আগে বিকল্প জল সরবরাহের ব্যবস্থা গড়ে তুলে, ধাপে ধাপে পুরনো পাইপের ঝামেলা সামলে, মেট্রোর কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ভাবনা আছে। আইআইটি খড়গপুরের পরামর্শে মাইক্রো-টানেলিং টেকনোলজিও দেখা হচ্ছে—এতে রাস্তা বেশি না খুঁড়ে, মাটির নীচ দিয়েই নতুন পাইপ বসানো সম্ভব হতে পারে। এতে পানীয় জল সরবরাহও অব্যাহত থাকবে, আবার মেট্রোর কাজও এগোবে।
পানীয় জল সরবরাহের গুরুত্ব: বিটি রোডের নীচের পাইপলাইনগুলো সাধারণ কোনো ইউটিলিটি লাইন নয়—এগুলো কলকাতার পানীয় জলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পলতা জল প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ওই এলাকায় মোট ছ'টা বড়সড় পাইপ রয়েছে, ডায়ামিটার ৪২ থেকে ৭২ ইঞ্চি পর্যন্ত।
কতটা পথ যাচ্ছে এই Pink Line?
সরকারি নথি বলছে বরানগর থেকে ব্যারাকপুর—পুরোটাই ১২.৫ কিলোমিটার। বরানগর–দক্ষিণেশ্বর ইতিমধ্যেই খুলে আছে, ধরে নিলে গোটা corridor দাঁড়ায় প্রায় ১৪.৫ কিলোমিটার। নতুন tender-এ অবশ্য বরানগর-ব্যারাকপুর অংশকে ১২.৩ কিলোমিটার বলা হয়েছে। দুই হিসাবে দুই রকম, যেটা প্রকল্পের প্রয়োজনে নেওয়া হয়েছে।
Pink Line ঠিক কোথা দিয়ে যাবে? মূলত BT Road বরাবর উপরে, মানে পুরোটা elevated মেট্রো। Underground নয়, রাস্তার উপর viaduct-এর উপর দিয়েই চলবে মেট্রো। বরানগরে যুক্ত হবে মেট্রোর পুরোনো নেটওয়ার্কের সঙ্গে, ফলে উত্তর শহরতলির মানুষ সরাসরি আরও সহজে শহরের অন্য প্রান্তে যেতে পারবেন।
Baranagar to Barrackpore Metro Route Map: Pink Line-এর স্টেশন তালিকা
আর এই লাইনে কী কী স্টেশন? অনেক প্ল্যান, বেশ কিছু বার তালিকা বদলেছে। পুরনো বা প্রচলিত কাগজে ১১টা স্টেশনের নাম আছে, আর নতুন tender-এ দেখা যাচ্ছে বরানগর বাদে ১০টা elevated station বানানোর কথা। মানে বরানগর ধরলে পুরো তালিকা দাঁড়ায় এইরকম:
- বরানগর → (প্রস্তাবিত সংযোগ)
- কামারহাটি
- আগরপাড়া
- পানিহাটি
- সোদপুর
- সুভাষনগর
- খড়দহ
- টাটা গেট
- টিটাগড়
- তালপুকুর
- ব্যারাকপুর
স্টেশন তালিকায় বা অ্যালাইনমেন্টে মাঝে মাঝে বদল হয়েছে, তাই নতুন কোনও অফিসিয়াল ড্রয়িং প্রকাশিত হলে সেটা মিলিয়ে নেওয়াই ভাল।
মনে রাখবেন: বরানগর-দক্ষিণেশ্বর অংশ ইতিমধ্যেই চালু রয়েছে। নতুন অংশটি বরানগর থেকে ব্যারাকপুর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।
১,৫৮৭ কোটি টাকার টেন্ডার—কাজ কতদূর?
এটাই এখন প্রধান আপডেট। সর্বশেষ টেন্ডার ডাকা হয়েছে প্রায় ₹১,৫৮৭.৩ কোটি টাকার জন্য। এতে বারানগর ছাড়া, ১০টা এলিভেটেড স্টেশন আর ব্রিজ (viaduct) তৈরির কাজ ধরা আছে। বিড ক্লোজিং ডেট ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, প্রি-বিড মিটিং ২৫ আগস্ট আর নির্মাণ শেষ করার সময়সীমা ৪২ মাস। মানে, এবার আর “হবে কি হবে না” চক্রে বিষয়টা নেই, হাতে-কলমে টেন্ডার বেরিয়েছে। কিন্তু—টেন্ডার বেরোলে কাজ শেষ বলা যায় না। টেন্ডার চূড়ান্ত করা, বরাদ্দ, পাইপলাইন ও ইউটিলিটি সরানো, সাইট ছেড়ে নির্মাণ শেষ করার পরেই ট্রায়াল ও কমার্শিয়াল চালু হবে।
আশার কথা: টেন্ডার প্রক্রিয়া এগোচ্ছে এবং নির্মাণ সংস্থা নির্বাচন হলে দ্রুত কাজ শুরু হবে। ৪২ মাসের মধ্যে মূল সিভিল কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
তাহলে কবে ব্যারাকপুরে মেট্রো যাবে?
এই উত্তর নিয়ে একটু ধীরে চলা ভালো। এখনকার টেন্ডার ডকুমেন্ট বলছে, কনস্ট্রাকশনের জন্য ৪২ মাস সময়। সব কাজ পরিকল্পনামাফিক চললে, সিভিল কনস্ট্রাকশন শেষ হতে কয়েক বছর লাগবে। কিছু রিপোর্টে বলা হচ্ছে, সাড়ে তিন বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্য আছে। তবে সরকারি ভাবে নির্দিষ্ট কোন মেট্রো চালু হওয়ার তারিখ দেওয়া হয়নি।
এখনের সবচেয়ে সোজা উত্তর: টেন্ডার বেরিয়েছে, ৪২ মাস সময় ধরা আছে, কিন্তু যাত্রী পরিবহন কবে থেকে শুরু হবে, তা এখনই কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না।
বাস্তবতা: NOC পাওয়া মানে কাজ শুরু হওয়া নয়, বরং কাজ শুরু করার পথে একটি বড় বাধা দূর হয়েছে। এখনও ইউটিলিটি শিফটিং, নির্মাণ, ট্রায়াল—অনেক ধাপ বাকি।
সবচেয়ে বেশি লাভ পাবেন কারা?
মেট্রো চালু হলে বরানগর থেকে ব্যারাকপুর পর্যন্ত বিস্তৃত বিটি রোডের যাত্রীরাই সবচেয়ে উপকৃত হবেন। প্রতিদিন অসংখ্য অফিসযাত্রী, ছাত্র, ব্যবসায়ী এই রুটে যান, আর সঙ্গে লড়াই করেন বিশাল যানজটের। মেট্রো এলে রোড ট্রান্সপোর্টের চাপ কমবে; আরও বড় কথা, বরানগরে মেট্রো নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়ায় উত্তর শহরতলির মানুষ সহজেই পুরো শহরের যেকোনো মেট্রো করিডোরে যেতে পারবেন। মানে ব্যারাকপুরে মেট্রো মানে একটা নতুন রুট—আরও বড় ছবি বললে উত্তর শহরতলির গোটা ট্রান্সপোর্ট ম্যাপে পরিবর্তন।
শুধু যাতায়াত নয়, গোটা অঞ্চল বদলাবে!
মেট্রো মানে সবসময় শুধু যাত্রা নয়—নতুন র্যাপিড ট্রান্সিট করিডোর বানালে আশেপাশে ব্যবসা-বাণিজ্য, আবাসন, লোকাল কানেক্টিভিটিতে বদল আসে। বরানগর–ব্যারাকপুর করিডোরের ক্ষেত্রেও ঠিক সেই সম্ভাবনা। যদি প্রযুক্তি সত্যিই নিয়ে আসতে পারে দ্রুত মালবাহী ট্রেন, নতুন বাস রুট বা হাউসিং প্রোজেক্ট, সবই গড়ে উঠবে। এখনই বলা যাচ্ছে না, এলাকায় ঠিক কতটা দাম বাড়বে বা ব্যবসায় কতটা লাভ হবে, কারণ নির্ভরযোগ্য সরকারি প্রজেকশন নেই। তবে ধরে নিতে পারেন, যোগাযোগ বাড়লে পুরো অঞ্চলের আর্থিক গতিতে গতি আসবেই।
সম্ভাব্য উন্নয়ন: মেট্রো আসার ফলে বিটি রোডের আশেপাশে নতুন হাউজিং প্রোজেক্ট, শপিং মল, অফিস স্পেস তৈরি হতে পারে। এলাকার জমির দামও বাড়তে পারে।
এক নজরে ১৬ বছরের আটকে থাকার টাইমলাইন
- ২০১০: বরানগর–ব্যারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অনুমোদন।
- ২০১১: বিটি রোড আলাইনমেন্ট নিয়ে এমওইউ।
- ২০১২: ৬৪ ইঞ্চির পাইপলাইনের বদল শেষ হয়, কিন্তু এনওসি জট মেটে না।
- পরের বছরগুলো: পাইপলাইন আর ইউটিলিটি শিফটিং নিয়ে বহু বছরের প্রশাসনিক অচলাবস্থা।
- ২০২৬ মে: মেট্রো আর পুরসভার বৈঠকে আবার সমস্যা সমাধানের চেষ্টা।
- ২০২৬ জুলাই: ব্রিজ ও ১০টা স্টেশনের জন্য বড় টেন্ডার ঘোষণা।
- ২৪ আগস্ট ২০২৬: পুরসভার এনওসি পেয়ে প্রকল্পের বড় বাধা কেটে যায়; নতুন ৭২ ইঞ্চির পাইপ বসানোর নির্দশন মেলে, জল-সরবরাহ সমস্যার সমাধান আর একধাপ এগোয়।
১৬ বছর পর, কোথায় দাঁড়িয়ে আছে প্রকল্প?
বরানগর–ব্যারাকপুর মেট্রো প্রকল্প ১৬ বছরের বন্ধ্যাত্ব কাটিয়ে ফের বাস্তবে নামছে। কলকাতা পুরসভার এনওসি পেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাধা কেটেছে, ঠিকই। কিন্তু যাত্রী পরিবহন শুরু হতে আরও অনেক ধাপ বাকি। টেন্ডার চূড়ান্ত করা, ইউটিলিটিসরানো, ব্রিজ আর স্টেশন গড়া—এসব যখন শেষ হবে, এরপরেই আসবে মেট্রো চালু করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। মানে, এনওসি নিয়ে কাজ শুরু হওয়া মানে মেট্রোয় ওঠার দিন এসে গেছে, ভাবার দরকার নেই। এখন, পুরো নজর থাকবে কাজ কত তাড়াতাড়ি শুরু হয় আর সময়ের মধ্যে শেষ হয় কিনা—সেটাই বড় প্রশ্ন।
আমার ব্যক্তিগত মত: ব্যারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের এই অগ্রগতি অত্যন্ত স্বাগত। ১৬ বছর ধরে মানুষ যে অপেক্ষা করছিল, তা শেষ হচ্ছে। তবে বাস্তবতা মেনে নিতে হবে—এখনও সময় লাগবে। আমার বিশ্বাস, আগামী ৪-৫ বছরের মধ্যে এই লাইন চালু হবে এবং উত্তর কলকাতার যাতায়াত ব্যবস্থায় বিরাট পরিবর্তন আনবে।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন ১: ব্যারাকপুর মেট্রো কবে চালু হবে?
নির্দিষ্ট তারিখ এখনও ঘোষণা করা হয়নি। টেন্ডার অনুযায়ী ৪২ মাস নির্মাণ সময় ধরা হয়েছে। সব ঠিকঠাক চললে ২০২৯-৩০ সালের মধ্যে চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রশ্ন ২: এই লাইনের নাম কেন Pink Line?
কলকাতা মেট্রোর বিভিন্ন লাইন রঙ দিয়ে চিহ্নিত করা হয়। বরানগর-ব্যারাকপুর করিডোরকে Pink Line হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
প্রশ্ন ৩: মেট্রো কি elevated নাকি underground?
পুরো পথটি elevated বা উড়ালপথে নির্মিত হবে। BT Road-এর উপর দিয়ে viaduct তৈরি হবে।
প্রশ্ন ৪: মোট কটি স্টেশন থাকবে?
বরানগর-ব্যারাকপুর অংশে বরানগর বাদে ১০টি elevated স্টেশন থাকবে। পুরো করিডোরে বরানগর সহ ১১টি স্টেশন হবে।
প্রশ্ন ৫: NOC পাওয়ার পর কাজ শুরু হয়েছে?
NOC পাওয়ার পর টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। টেন্ডার চূড়ান্ত হলে নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
প্রশ্ন ৬: মেট্রো চালু হলে কী লাভ হবে?
যানজট কমবে, উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার মধ্যে যাতায়াত সহজ হবে, এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়বে, সম্পত্তির দাম বাড়তে পারে।
প্রশ্ন ৭: পানীয় জল সরবরাহে কোনো সমস্যা হবে?
নতুন পরিকল্পনায় ৭২ ইঞ্চির পাইপ বসানো হচ্ছে এবং মাইক্রো-টানেলিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। ফলে জল সরবরাহে সমস্যা হবে না বলে আশা করা যাচ্ছে।
প্রশ্ন ৮: প্রকল্পের মোট খরচ কত?
বরানগর-ব্যারাকপুর অংশের জন্য প্রায় ₹১,৫৮৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ লিংক
এই পোস্টটি শেয়ার করুন
শেয়ার বাটনে ক্লিক করলেই সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট শেয়ার হবে।